বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঈদের কেনাকাটায় শেষ মুহুর্তে ধনীদের পছন্দ শপিংমল, গরিবের ভরসা ফুটপাত

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ ঈদ অত্যাসন্ন। সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে চলতে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। প্রবাসী ও চাকরীজীবীদের কেনাকাটা রোজার দ্বিতীয়ার্ধে শেষ হলেও শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। কেনা কাটায় পছন্দের তালিকায় অভিজাত শপিংমল হলেও গরীব বা মধ্যবিত্ততের ভরসাস্থল ফুটপাত। সেই ফুটপাতে বেচা কেনা এখন জমজমাট। শপিংমলে যে অনুসঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে একই অনুসঙ্গ কমদামে পাওয়া […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৫, ২২:২৮

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

ঈদ অত্যাসন্ন। সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে চলতে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। প্রবাসী ও চাকরীজীবীদের কেনাকাটা রোজার দ্বিতীয়ার্ধে শেষ হলেও শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। কেনা কাটায় পছন্দের তালিকায় অভিজাত শপিংমল হলেও গরীব বা মধ্যবিত্ততের ভরসাস্থল ফুটপাত। সেই ফুটপাতে বেচা কেনা এখন জমজমাট। শপিংমলে যে অনুসঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে একই অনুসঙ্গ কমদামে পাওয়া যাচ্ছে ফুটপাতে। তবে গুনে ও মানে কিছুটা ভিন্ন।

কৃষক নজর আলীর সাথে দেখা হয় গাংনী বাসস্ট্যান্ডের ফুটপাতের দোকানে। তিনি এসেছেন রাইপুর থেকে। সাথে স্ত্রী ও দু’ছেলে মেয়ে। বেশি দামের জিনিষ পাওয়া যায় শপিং মলে তাই সেখানে যেতে তারা নারাজ। তাদের মতে, গরীব মানুষ অতটাকা পাবো কনে? কুনুরকম ঈদটা পার কত্তি পাল্লিই হয়। ফুটপাত থেকে কমদামে পোশাক কিনলেও তাতে রয়েছে ঈদের আনন্দ আর ভালবাসার ছাপ। একই কথা জানালেন রিক্সাচালক আজমাইন। শুধু কৃষক নজর আলী ও রিক্সাচালক আজমাইনই নয় অনেক বিত্তশালীরাও তাদের চাহিদা অনুযায়ি অনুসঙ্গ কিনছেন ফুটপাত থেকে।

গাংনী শহর, বামন্দী ও হেমায়েতপুর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বিপনী বিতানের চেয়ে ফুটপাতে তুলনামূলকভাবে ভীড় বেশি। শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবী ফতুয়া, প্যান্ট শার্ট, পাদুকা সেই সাথে সস্তা প্রসাধনী। বিপনী বিতান বা শপিংমলে আভিজাত্যের ছোয়ার সাথে দাম আকাশচুম্বী। নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা সামর্থ্যের মধ্যে নিজেদের পছন্দের কাপড়-চোপড়, গয়না, জুতা, স্যান্ডেল ও অন্য প্রসাধনীসহ অন্যান্য পণ্য কিনতে ভিড় করছেন ফুটপাতে। সাধ্যের সবটুকু দিয়ে সাধের ঈদ করার চেষ্টায় মুখভরা হাসিতে সন্তানদের জামাকাপড় কিনে দিচ্ছেন তারা।

শফিকুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা জানান, ফুটপাতে দামে কিছুটা সাশ্রয়ী এবং পণ্যের মানও বেশ ভালো। সেজন্য ফুটপাত থেকেই পাঞ্জাবিসহ কয়েকটি পোশাক কিনেছেন তিনি। দামাদামি করে নিতে পারলে কম দামেই ভালো পোশাক নেওয়া যায়। তিনি আরো জানান, মার্কেটগুলোতে জিনিসপত্রের দাম খুব বেশি। যা আয় রোজগার তা দিয়ে বড়ব দোকান থেকে জিনিসপত্র কেনার সামর্থ আমার নেই। তাই ফুটপাতই তাদের মতো মানুষের স্বস্তি।

রাইপুরের আবদুল আলীম জানান, বেশ কিছুদিন ধরে টাকা জমিয়ে কেনাকাটা করতে এসেছেন এখানে। বড় নানীর জন্য শাড়ী আর ছোট বোনের জন্য একটা রঙিন ঝলমলে ফ্রক কিনেছেন তিনি। এছাড়াও বড়নানীর জন্য জন্য হাতব্যাগ, মায়ের জন্য জুতা, বাবার জন্য লুঙ্গি কিনেছেন। হেমায়েতপুরের আজমাইন জানান, ফুটপাতে সব পাওয়া যায়। পাওয়া যায় ছেলে-বুড়ো-নারী সবার পোশাকসহ জুতা, চশমা, ঘড়ি, ইমিটেশন সামগ্রী, প্রসাধনী, বেল্ট, ব্যাগ, শোপিস, বাচ্চাদের খেলনা, মোবাইলের সামগ্রী, টুপি, আতরসহ হরেক রকমের পণ্য।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।