শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি দিয়ে ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখল জনতা

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করে স্থানীয় জনতা তাদের উপর নির্মম গণপিটুনি চালিয়েছে। এরপর দড়ি দিয়ে বেঁধে ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখা হয়। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। উত্তরা পূর্ব থানার ওসি শামীম আহমেদ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে […]

ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুজনকে গণপিটুনি দিয়ে ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখল জনতা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০০:৩৭

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করে স্থানীয় জনতা তাদের উপর নির্মম গণপিটুনি চালিয়েছে। এরপর দড়ি দিয়ে বেঁধে ফুটওভার ব্রিজে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে এ ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। উত্তরা পূর্ব থানার ওসি শামীম আহমেদ জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা গেছে, স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে মারধর করছে। অনেকে তাদের উপর লাঠি ও ঘুষি দিয়ে আক্রমণ করছে, আবার কেউ কেউ পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের দেখা গেলেও তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুরোপুরি সক্ষম হয়নি।

রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাসী হামলা ও গুমের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় রাত হলেই ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে, যার ফলে জনতা আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অনেকেই কারাগারে থাকায় এবং প্রশাসনিক কাঠামো এখনও পুরোপুরি পুনর্গঠিত না হওয়ায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির অনেক সদস্যই সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার পর থেকে আতঙ্কিত এবং স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে পারছে না।

এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন কৌশল গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। অন্তর্বর্তী সরকার অপরাধ দমনে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও বাস্তবায়নে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংকট এবং অপরাধীদের দৌরাত্ম্য একসঙ্গে মোকাবিলা করতে না পারলে, এ ধরনের গণপিটুনির ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত জনতার প্রতিক্রিয়া বেড়েই চলেছে। কিছুদিন আগেই মিরপুর ও গুলিস্তানে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ছিনতাইকারীদের ধরে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

অপরাধীদের বিরুদ্ধে জনরোষ বৃদ্ধি পাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব জনগণের নয়, এটি রাষ্ট্রের কাজ। কিন্তু যখন জনগণ নিজের হাতে আইন তুলে নেয়, তখন বোঝা যায় যে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা এই পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে চাই।”

সরকারি পদক্ষেপ বাস্তবায়িত না হলে জনতার রোষ আরও তীব্র হতে পারে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকার এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, যাতে জনগণ আইনের প্রতি আস্থা রাখতে পারে এবং নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।