শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অবৈধ ইটভাটা নিয়ে চলছে শুভঙ্করের ফাঁকি

মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল টাঙ্গাইল  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বনের ভেতর, আবাসিক এলাকা, তিন ফসলি জমি ও বিদ্যালয়ের পাশে গড়ে ওঠা ইটভাটা নিয়ে চলছে শুভঙ্করের ফাঁকি। মালিক পক্ষ লাইসেন্স না করেই উচ্চ আদারলতে রিট করে বছরের পর বছর এসব অবৈধ ইট ভাটা পরিচালনা করে আসছে।  তারা আইন না মানায় এক দিকে বনের গাছ নিধন হচ্ছে-অপর দিকে গ্রামীন রাস্তাঘাট ভেঙে […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৫, ২২:৫৩


মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল টাঙ্গাইল
 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বনের ভেতর, আবাসিক এলাকা, তিন ফসলি জমি ও বিদ্যালয়ের পাশে গড়ে ওঠা ইটভাটা নিয়ে চলছে শুভঙ্করের ফাঁকি। মালিক পক্ষ লাইসেন্স না করেই উচ্চ আদারলতে রিট করে বছরের পর বছর এসব অবৈধ ইট ভাটা পরিচালনা করে আসছে। 

তারা আইন না মানায় এক দিকে বনের গাছ নিধন হচ্ছে-অপর দিকে গ্রামীন রাস্তাঘাট ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। সেই সঙ্গে ভাটার মালিকরা জমির উর্বর মাটি ও পরিবেশ দূষণে ব্যাপকহারে ক্ষতি করলেও স্থানীয় প্রশাসন ঐ সব ইট ভাটার বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা না নিয়ে খোড়া অজুহাত দেখিয়ে সু কৌশলে মালিক পক্ষকে সহযোগিতা করে চলছে। 

ইট ভাটা মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলায় অর্ধশতাধিক ইট ভাটা থাকলেও এ বছর ৩৮টি ভাটা ইট পূরছে। তার মধ্যে ২১টি ইট ভাটার নিবন্ধন আছে। ১৪টি ইট ভাটা চলছে শুধু হাইকোর্টের রিট করে, অবশিষ্ট ৩টি ইট ভাটা কোন আইনে চলছে তার কোন তথ্য নাই তাদের কাছে।

সরজমিন গিয়ে দেখা যায় ইট প্রস্তত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৮৯, ২০১৯ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত ২০০১) অনুযায়ী একটি ভাটাও স্থাপন করা হয়নি। আইনের সাথে ভাটা স্থাপনের কোন মিল নাই, তবুও মিলছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র অতি সহজেই মিলছে নিবন্ধন। 

বিধানে বলা আছে ইট প্রস্তত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৯ অনুযায়ী ৫ এর ধারায় বলা আছে বিশেষ কোন স্থাপনা, হাইওয়ে রাস্তা ও রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, কোন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিম্বা অনুরূপ কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কমপক্ষে ১ কিলোমিটার দূরে ইট ভাটা স্থাপন করতে হবে, ৫ (জ)তে বলা আছে পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহন ব্যতিত ইট ভাটা চালু করা যাইবে না। ৪(ঙ)তে বলা আছে, আবাসিক, সংরক্ষিত বা বানিজ্যিক এলাকায়, সিটি কর্পোরেশন, পৌর সভা বা উপজেলা সদর, কৃষি জমি ও পরিবেশ গত সংকটাপন্ন এলাকায় কোন ইট ভাটা স্থাপন করা যাবে না। অথচ সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, আইনের সাথে ভাটা স্থাপনের কোন মিল নাই। যার যেমন যেখানে খুশি -স্কুল কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসা, এবং কি ঘন বসতি এলাকায় ছোট ছোট শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন ভাটা স্থাপন করা হয়েছে। 

২০১৩ সনের ৫৯ নং আইনের ধারা ৪এর প্রতি স্থাপনে বলা আছে, লাইসেন্স ব্যতীত ইট ভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তত নিষিদ্ধ, তবুও এসব ছাড়াই চলছে। 

১২ ডিসেম্বর ধলাপাড়া বিল-জলঙ্গি বংশাই ইট ভাটা এবং রসুলপুর ইউনিয়নের লালমাটিয়া তিতাস ইট ভাটায় গিয়ে দেখা যায়, ভাটার চারিপাশে গাছের স্তুুপ। বিধি অনুযায়ী কয়লা দিয়ে ইট পোড়ানোর কথা থাকলেও আইন ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল 

দেখিয়ে ভাটার মালিক বনের কাঠ দিয়ে ইট পুড়ছে। তাছাড়াও চলমান ৩৮ টি ইট ভাটার মধ্যে ১৮ টিই সংরক্ষিত বনের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ও জন বসতি পূর্ন এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে। এ ভাবে ৩৮ টি ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোয়ায় যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্য দিকে ফসলি জমির মাটি গভীর করে কেটে নেওয়ায় জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। যত্রতত্র ইট ভাটা গড়ে উঠায় হাইড্রলিক ও ট্রাকের চাপে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ছোট ছোট রাস্তা অল্পদিনেই ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। 

১৪ জানুয়ারী লোকেরপাড়া ইউনিয়নের লোকেরপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ঘন বসতি, মসজিদ, মাদ্রাসা, সংলগ্ন এলাকায় পাকা রাস্তার ধারে এম, এস, টি ইট ভাটা হরহামেশায় চলছে। আইন লঙ্ঘিত করে ৫০ মিটারের মধ্যে আর, এস, এম ইট ভাটা গড়ে উঠেছে। ঘন বসতি বাড়ীর পাশে ইট ভাটা গড়ে উঠায় ছোট ছোট শিশুদের নানাবিধ ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে ষাটোর্ধ বৃদ্ধ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ইট ভাটার কালো ধোঁয়া কয়লার বিষাক্ত বাতাসে শিশু ও বয়োঃবৃদ্ধদের শারিরীক নানান সমস্যার সৃষ্টি করে এ ভাবে গ্রামে মধ্যে তিন ফসলি জমিতে আর,এস,এম ইটভাটা গড়ে উঠেছে। শিংগুরিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ঘন বসতি এলাকায় পাকা রাস্তার ধারে তিন ফসলি জমিতে স্বর্ণা ইট ভাটা হরহামেশায় চলছে।

সর্বোপরি লাভবান হচ্ছে ভাটার মালিক সুবিধা নিচ্ছে প্রশাসন, অপরদিকে হাতে গননা কয়েকজন বাদে প্রায় সকলেই ভোগান্তি ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেই সাথে সরকারের লোকশান হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। 

ইট ভাটায় বনের কাঠ পোড়ানোর বিষয়ে ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ওয়াদুদুর রহমানের ভাষ্য এবিষয়ে আমি সকল ধরনের প্রয়োজনীয় ও কার্যকরি ব্যাবস্থা নিচ্ছি। 

এসব বিষয়ে ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান আলী বলেন পাহাড়ের লাল মাটি ও বনের কাঠ ইট ভাটায় না নিতে কড়া ভাষায় নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। তার পরেও কেউ আইন অমান্য করে তা হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহনে আমাদের সমিতি সর্ব প্রকারের সহযোগিতা করবে। 

এসব বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন ইসলাম কে অবহিত করা হলে তিনি বলেন, লাল মাটি কাটা এবং বনের কাঠ ইট ভাটায় ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব অপরাধ যার সংগঠিত করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নিতে এসিল্যান্ডকে সম্পূর্ণ ভাবে দিক নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে 

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।