সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আলোচিত মুস্তাকিন হত্যা নেপথ্যে ভাবির সাথে পরকিয়া

শাহরিয়ার আহমেদ শাওন,নবীগঞ্জ থেকেঃ হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা   মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯। বৃহস্পতিবার ( ৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৯ এর সিপিএসসি ও সিপিসি-৩ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত, পলাতক আসামি রায়হান উদ্দিন (২২), সে নবীগঞ্জ উপজেলার […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:২৪

শাহরিয়ার আহমেদ শাওন,নবীগঞ্জ থেকেঃ
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা   মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯।
বৃহস্পতিবার ( ৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৯ এর সিপিএসসি ও সিপিসি-৩ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত, পলাতক আসামি রায়হান উদ্দিন (২২), সে নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
গত ২৪ নভেম্বর নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাও গ্রামে রাত ৯ টা থেকে ১০ টার মধ্যে  নিজ বসত ঘরে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় ১৮ বছর বয়সী মুস্তাকিন কে।এর পর হতেই এলাকায় নানা ধরনের গুঞ্জন সৃষ্টি হয়।
হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ র্যাব গোয়েন্দা সংস্থা নিভীর প্রর্চালচনা করতে থাকে।
সকল অবসান কাটিয়ে বৃহস্পতিবার সিলেট গোলাপগঞ্জ থেকে ব্যটালিয়ন ৯ এর একটি ইউনিট তাকে গ্রেফতার করে।
এসময়  তার কাছে থেকে  হবিগঞ্জ আদালত ১৬৪ ধারা জবানবন্দির মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করে ।
এসময় হত্যা কারী রায়হান  উদ্দিন (২২)সে জবানবন্দিতে জানায় মুস্তাকিনের প্রবাসী ভাইয়ের সাথে বন্ধুতো থাকায় মুস্তাকিনের বাড়ীতে হরহামাশা যাতায়াত করত এই সুবাধে প্রবাসী ভাইয়ের দুই স্ত্রীর রোজিনা বেগম ও তাসলিমা বেগম এর সাথে পরকিয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এই বিষয় টি মুস্তাকিন দেখে ফেলায় রায়হান উদ্দিন তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করতে থাকে। সে সুবাদে মুস্তাকিনের মা পৈত্রালয়ে অসুস্থ মুস্তাকিনের নানীকে দেখতে গেলে খুনি রায়হান উদ্দিন খবর পেয়ে স্থানীয় ইমাম বাড়ী বাজার হতে ধাড়ালো ছুরি আর ২ টি তালা চাবি কিনে নিয়ে আসে।
এসময় ২৪ নভেম্বর রবিবার দিবাগত রাত্রে মুস্তাকিনের ভাবি রোজিনা বেগম ও তাসলিমাকে সঙ্গে নিয়ে ঘরের ভিতর হাত পাও বেধে  নিঃসংসহ ভাবে তার গলা জবাই করে।
এসময় রায়হান উদ্দিন  হত্যা করে  পালিয়ে যাওয়ার পর   দুই  ভাবি মিলে  চিৎকার  কান্নাকাটি করে এক নাটক সৃষ্টি করে।
পরে তার সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তেতে রোজিনা বেগম ও তাজলিমা আক্তারকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
শাহরিয়ার আহমেদ শাওন,নবীগঞ্জ থেকেঃ
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার চাঞ্চল্যকর মুস্তাকিন হত্যা   মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯।
বৃহস্পতিবার ( ৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৯ এর সিপিএসসি ও সিপিসি-৩ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত, পলাতক আসামি রায়হান উদ্দিন (২২), সে নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
গত ২৪ নভেম্বর নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাও গ্রামে রাত ৯ টা থেকে ১০ টার মধ্যে  নিজ বসত ঘরে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় ১৮ বছর বয়সী মুস্তাকিন কে।এর পর হতেই এলাকায় নানা ধরনের গুঞ্জন সৃষ্টি হয়।
হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ র্যাব গোয়েন্দা সংস্থা নিভীর প্রর্চালচনা করতে থাকে।
সকল অবসান কাটিয়ে বৃহস্পতিবার সিলেট গোলাপগঞ্জ থেকে ব্যটালিয়ন ৯ এর একটি ইউনিট তাকে গ্রেফতার করে।
এসময়  তার কাছে থেকে  হবিগঞ্জ আদালত ১৬৪ ধারা জবানবন্দির মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করে ।
এসময় হত্যা কারী রায়হান  উদ্দিন (২২)সে জবানবন্দিতে জানায় মুস্তাকিনের প্রবাসী ভাইয়ের সাথে বন্ধুতো থাকায় মুস্তাকিনের বাড়ীতে হরহামাশা যাতায়াত করত এই সুবাধে প্রবাসী ভাইয়ের দুই স্ত্রীর রোজিনা বেগম ও তাসলিমা বেগম এর   সাথে পরকিয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এই বিষয় টি মুস্তাকিন দেখে ফেলায় রায়হান উদ্দিন তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করতে থাকে। সে সুবাদে মুস্তাকিনের মা পৈত্রালয়ে অসুস্থ মুস্তাকিনের নানীকে দেখতে গেলে খুনি রায়হান উদ্দিন খবর পেয়ে স্থানীয় ইমাম বাড়ী বাজার হতে ধাড়ালো ছুরি আর ২ টি তালা চাবি কিনে নিয়ে আসে।
এসময় ২৪ নভেম্বর রবিবার দিবাগত রাত্রে মুস্তাকিনের ভাবি রোজিনা বেগম ও তাসলিমাকে সঙ্গে নিয়ে ঘরের ভিতর হাত পাও বেধে  নিঃসংসহ ভাবে তার গলা জবাই করে।
এসময় রায়হান উদ্দিন  হত্যা করে  পালিয়ে যাওয়ার পর   দুই  ভাবি মিলে  চিৎকার  কান্নাকাটি করে এক নাটক সৃষ্টি করে।
পরে তার সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তেতে রোজিনা বেগম ও তাজলিমা আক্তারকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।