বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পুলিশ-আনসার-দালাল মিলে পকেট কাটছেন গ্রাহকের

রাজশাহী বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের বাইরে সারি সারি ওত পেতে দাঁড়িয়ে দালালচক্র। এসব দালাল গ্রাহকের হাতের কাগজ কৌশলে নিয়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। শুধু দালাল চক্রই নয়, পাসপোর্ট অফিসে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসাররাও ‘কুইক’ কাজ করে দেওয়ার নামে কৌশলে সেবাগ্রহীতাদের পকেট কাটছেন। আর এসব কিছুর মূলে রয়েছে পাসপোর্ট অফিসের […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:১৯

রাজশাহী বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের বাইরে সারি সারি ওত পেতে দাঁড়িয়ে দালালচক্র। এসব দালাল গ্রাহকের হাতের কাগজ কৌশলে নিয়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। শুধু দালাল চক্রই নয়, পাসপোর্ট অফিসে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসাররাও ‘কুইক’ কাজ করে দেওয়ার নামে কৌশলে সেবাগ্রহীতাদের পকেট কাটছেন।

আর এসব কিছুর মূলে রয়েছে পাসপোর্ট অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী-কর্মকর্তা। তারা নানা ছুতোয় গ্রাহকদের দুর্ভোগে ফেলছেন। তখন অনেকটা বাধ্য হয়েই সেবাগ্রহীতরা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে দালাল, আনসার ও পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতা নিয়ে দ্রুত কাজ করে নিচ্ছেন। সবকিছু মিলে যেন সেবাগ্রহীতা এসব দালাল-আনসার আর পাসপোর্ট অফিসের কিছু কর্মচারীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। গত তিন দিনে রাজশাহীর বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে সরেজমিন অনুসন্ধানে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যারা পাসপোর্ট করাতে চান, এখানে তাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। দিনের পর দিন ঘুরানোর রেকর্ডও রয়েছে। কিন্তু এসব দেখার যেন কেউ নেই। একাধিক সেবাপ্রার্থী জানান, এ অফিসের আনসার সদস্যসহ অন্যরাও এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।

দালালের পাশাপাশি প্রকাশ্যেই আনসার সদস্যরাও টাকা নিয়ে কাজ করে দেন। আবেদনের জন্য আজ সার্ভারের সমস্যা, কাল নেটওয়ার্কের সমস্যা এমন নানা অজুহাত দেখিয়ে ঘুরাতে থাকেন। তবে দালালকে ১৫০০ টাকা দিলে সহজেই কাজ হয়ে যায়।

গ্রাহক সেজে গত বুধ, বৃহস্পতি ও রোববার (১ ডিসেম্বর)  এসব দালাল ও আনসারের সঙ্গে কথা বললে  সাধারণত পাঁচ বছরের জন্য পাসপোর্ট করলে আমরা মোট ৬ হাজার টাকা নিই। এই টাকা দিলে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। যাবেন ছবি তুলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেবেন, চলে আসবে।

৪ হাজার ২৫ টাকা লাগে ব্যাংক ড্রাফট করতে। অফিসকে দিতে হয় ১২০০ টাকা আর আমার থাকবে ৫০০ টাকা। ডজনখানেক দালাল অফিসের কর্মচারীদের যোগসাজশে কাজ করে যাচ্ছে। এভাবেই একজন দালাল দিনে চার থেকে পাঁচটি কাজ করে। সে হিসেবে শুধু দালালি করেই দিনে আয় ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।

শুধু দালালরাই নয়, পাসপোর্ট অফিসের প্রধান ফটকের দায়িত্বরত আনসার ও পুলিশ সদস্যরাও গ্রাহকদের ফটকে আটকিয়ে তাদের সমস্যার কথা জিজ্ঞাসা করছেন। কৌশলে তারাও দালালদের মতো টাকার বিনিময়ে কাজ করে দিচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রতিবেদক প্রধান ফটকের সামনে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করেন।

অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।