মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর)প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নোয়াখালী জেলা শাখার আসন্ন কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সাংগঠনিক সম্পাদক পদের জন্য আলোচিত নামগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সক্রিয়তা এবং দলীয় দুঃসময়ে মাঠে থাকার রেকর্ড তাকে এই পদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার করে তুলেছে।
সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তার রাজনৈতিক পথচলার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক হলো:
রাজপথের সক্রিয়তা: বিগত দিনের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি নোয়াখালী জেলার রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এবং দলীয় প্রধানের মুক্তির আন্দোলনে তাকে সামনের সারিতে দেখা গেছে।
নির্যাতন ও ত্যাগ: দলীয় আদর্শের কারণে তিনি একাধিকবার জেল-জুলুম ও মামলার শিকার হয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি, যা তৃণমূল কর্মীদের কাছে তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ: জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীদের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। কর্মীদের আপদে-বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং ছাত্র রাজনীতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।
সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বলের কিছু ইতিবাচক দিক:
সাংগঠনিক দক্ষতা: দলের বিশৃঙ্খলা দূর করে চেইন অফ কমান্ড বজায় রাখতে তিনি অত্যন্ত কঠোর ও কৌশলী।
তরুণ প্রজন্মের সমন্বয়: নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ছাত্রদলে আগ্রহী করতে তিনি আধুনিক ও মেধাভিত্তিক রাজনীতির চর্চা করেন।
আস্থার প্রতীক: নোয়াখালী জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং সাধারণ কর্মীদের মাঝে তিনি একজন বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে পরিচিত।
নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এমন একজনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান যিনি সরাসরি মাঠ থেকে উঠে এসেছেন। তাদের মতে, সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল যদি এই দায়িত্ব পান, তবে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী হবে।
সার্বিক বিবেচনায়, সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদের জন্য একজন যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রার্থী। তার ত্যাগ এবং শ্রম মূল্যায়ন করা হলে জেলায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলে সাধারণ নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করছেন।