মুশফিক হাওলাদার ভোলা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র স্থানীয় নির্বাচন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতায় মাঠ ইতোমধ্যে সরগরম। কেউ গণসংযোগ করছেন, কেউ রমজানের বিভিন্ন আয়োজন ঘিরে মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, আবার কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোয়া চেয়ে নিজেদের উপস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে সামনে যে প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচন অপেক্ষা করছে, তা অনেকটাই স্পষ্ট।
ভোলা জেলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা চরফ্যাসন’র আছলামপুর ইউনিয়নে জন্ম নেওয়া আবু সুফিয়ানকেও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোয়াপ্রার্থী পোস্ট দিতে দেখা যাচ্ছে। তবে কোথাও তিনি নির্বাচন করার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ করেননি। মন্তব্যের ঘরে অনেকে জানতে চাইলেও এ নিয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো জবাব দেননি।
আবু সুফিয়ান স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজকর্ম বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা ও কর্মসূত্রে রাজধানীতে অবস্থান করলেও নিজ এলাকার সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকেছেন।
বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি ভোলাবাসীর অধিকার আদায়ে রাজধানীতে বিভিন্ন সময় তিনি সরব ভূমিকা রেখেছেন বলেও জানা যায়। রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা ইস্যুতেও তাকে দৃশ্যমান অবস্থানে দেখা গেছে।
স্থানীয়দের অনেকেই মনে করেন, তার শিক্ষা, সততা ও দক্ষতা যদি আছলামপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজে লাগে, তাহলে এলাকা উপকৃত হবে। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দোয়া চাওয়া মানেই প্রার্থী হওয়া নয়। তার বক্তব্য, “দোয়া তো সবাই সবার কাছে চাইতে পারে।
এটাকে নির্বাচন হিসেবে দেখা ঠিক না। জনগণ যদি কখনো মনে করে আমি তাদের সেবা করার যোগ্য, তখন হয়তো চেষ্টা করবো। তবে জনগণের পাশে থাকতে জনপ্রতিনিধি হওয়াটাই একমাত্র পথ নয়। ইচ্ছা থাকলে যেকোনোভাবেই মানুষের পাশে থাকা যায়।”
তার এই অবস্থান রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামেন কি না।