ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসি প্রত্যাহারের পর এবার মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন— কার ইশারায় ও কার প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এমন সিদ্ধান্ত নিলো?
পোস্টে সাদিক কায়েম বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ মানে ভোটার, সাংবাদিক এমনকি সিটিজেন জার্নালিস্টদেরও মোবাইল ছাড়া কেন্দ্রে যেতে হবে। এতে ভোটকেন্দ্রে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তার তথ্য বা ফুটেজ ভুক্তভোগীর কাছেও থাকবে না। তিনি মন্তব্য করেন, “নির্বাচন কমিশনের ওপর ভর করে এই নব্য ফ্যাসিজম জাতির ওপর কারা চাপিয়ে দিলো?”
ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়নি। বরং একটি ফ্রি, ফেয়ার ও নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করাই তাদের দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সাদিক কায়েম।