বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে আজাদি ও গোলামির ফয়সালার দিন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি।” চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজির অবসান ঘটাতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মতো এবার ব্যালটের মাধ্যমে আরেকটি বিপ্লব ঘটাতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে […]

হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি : ডা. শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩১

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে আজাদি ও গোলামির ফয়সালার দিন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি।” চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও টেন্ডারবাজির অবসান ঘটাতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মতো এবার ব্যালটের মাধ্যমে আরেকটি বিপ্লব ঘটাতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা টাউন ফুটবল মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের আগস্টের আন্দোলন ছিল বুলেটের বিরুদ্ধে। আর ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া, আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি এবং বস্তাপচা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ব্যবস্থাকে চূর্ণ করার ব্যালট বিপ্লব।

তিনি বলেন, ভোটের দিন বুথে ঢুকে প্রথম ভোটটি শক্ত করে দিতে হবে ‘হ্যাঁ’-তে। ‘হ্যাঁ’ জিতলে বাংলাদেশ জিতবে, ফ্যাসিবাদ আর ফিরতে পারবে না, আর দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কবর রচিত হবে। ‘হ্যাঁ’ হারলে বাংলাদেশই হারবে। সেদিন দুটি ভোট হবে—একটি সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’, আরেকটি পরিবর্তনের বাংলাদেশের পক্ষে।

তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ১১ দল একত্রিত হয়ে ২২টি হাত এক করেছে; দেশের আপামর জনগণও এই ঐক্যে শামিল হয়েছে। তাদের অবস্থান স্পষ্ট—দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, নারীর ইজ্জত লুণ্ঠনকারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অবহেলাকারী এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চিরতরে লালকার্ড।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১১ দলের পক্ষে কাজ করা মা-বোনদের হয়রানি ও অশোভন আচরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জামায়াতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন নেই; উত্তেজনা না ছড়িয়ে যুক্তি ও কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি ফ্যাসিবাদী চেহারা নিয়ে সামনে আসে, তবে ৫ আগস্ট যেমন লালকার্ড দেখানো হয়েছিল, ১২ তারিখেও তেমন লালকার্ড দেখানো হবে। যুবসমাজ আর বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চায় না। ৫৪ বছরের যে রাজনীতি দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে এবং পরনির্ভরশীল করেছে, সেই রাজনীতি তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। আবু সাঈদ ও আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের রক্ত দেশবাসীর কাছে আমানত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আমীরে জামায়াত বলেন, পুরোনো ও নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুবসমাজ আজ ঐক্যবদ্ধ—দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্বাচনই তার প্রমাণ। তিনি বলেন, যারা দিশেহারা হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের জবাব দেওয়ার সময় নেই; জনগণের সামনে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য।

দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে নিজেদের দেশের সেবক হিসেবে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সম্পদ লাফিয়ে বাড়তে দেওয়া হবে না। জনপ্রতিনিধিদের নিজেদের ও পরিবারের সম্পদের হিসাব প্রতিবছর জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে এবং উন্নয়ন ব্যয়ের হিসাবও জনগণকে জানাতে হবে। উন্নয়ন হবে জনগণের সঙ্গে আলোচনা করে—উপর থেকে চাপিয়ে নয়।

যুবসমাজকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, বেকারভাতা নয়—তাদের দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ৩, ৬, ৯ মাস ও এক বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ সরকারি খরচে দেওয়া হবে। মেয়েদের উচ্চশিক্ষার ব্যয়ভার সরকার বহন করবে এবং ঘরে-বাইরে ও কর্মস্থলে নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

শেষে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনীতি নীতির খেলা—নীতি নিয়ে আসবে রাজনৈতিক দল, সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ। তিনি তিনটি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন—দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, সবার জন্য ন্যায়বিচার এবং জনগণের চাওয়া অনুযায়ী বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। দেশ বদলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭