লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার তজুমদ্দিনে ভোগ দখলিয় জমিতে রাতের আঁধারে জোরপূর্বক ঘর উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২০ডিসেম্বর) রাতে তজুমদ্দিন
উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়ন চর কোড়ালমারা ৯ নং ওয়ার্ডে গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের চর কোড়ালমারা মৌজায় এসএ ১৫৬ নং খতিয়ানে মোট ১ একর ৬০ শতাংশ জমি ১৯৯৪ সালে ক্রয় করে লালমোহন উপজেলার বাসিন্দা আবুল কালাম। আবুল কালাম মারা যাওয়ার পর নুরনবী গংরা শান্তিপূর্ণভাবে ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন।
এরই মধ্যে হঠাৎ করে ওই এলাকার মো. কুট্রি মিয়া, কামাল, লিটন, সবুজ, শরিফ ও শাহে আলম ওই জমি তাদের দাবী করে।
এ নিয়ে ভোলার আদালতে নুরনবী গংরা দেওয়ানী মামলা (যার নং ৩১/২০২০) দায়ের করে। বর্তমানে মামলা চলমান অবস্থায় রয়েছে। সে জমিতে কুট্টি মিয়া গতকাল ২০ জানুয়ারি গভীর রাতে হঠাৎ করে ঘর উত্তোলন করে।
নুরনবী বলেন, কুট্রিগংরা রাতের আধারে আমাদের জমিতে জোরপূর্বক ঘর করে জমি দখল করে, এর আগে উক্ত জমিতে ভেকু দিয়ে মাটি কাটিয়ে পুকুর, ভিটা করে। তখন আমরা গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৪, তজুমদ্দিন থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। যার ডায়েরি নং ৮২৪।
এরপর পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে কাজ বন্ধ করে দেন। এখন আবার আমাদের জমিতে ঘর উত্তোলন করে। আমরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও এ ঘটনায় ন্যায় বিচার দাবি করছি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মো. কুট্রি মিয়ার স্ত্রী মাহামুদা বলেন,আমি আমার জায়গায় ঘর করতেছি। রাতের আধারে কেন ঘর করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জায়গায় আমি যখন ইচ্ছা তখন ঘর করবো।
তিনি আরো জানান, লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের মোতাহার ও তার ভাই নসুর সহযোগীতায় এই ঘর উত্তোলন করি।
একই এলাকার মো. নজরুল বলেন, এ জমি নুরনবীর বাবা আবু মিয়াকে চাষাবাদ করতে দেখেছি। তার মৃত্যুর পর এখন নুরনবী গংরা চাষাবাদ করান, হঠাৎ করে কুট্টি মিয়া গংরা রাতের আঁধারে পুকুর খনন করে ঘর ও দোকান ঘর নির্মাণ করে জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করে।
একই এলাকার সেলিম বলেন, আমার দেখা মতে এ জমিতে নুরনবী গংরা দীর্ঘ দিন ভোগ দখল করছেন। হঠাৎ করে কুট্টি মিয়ারা জোর করে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে দখল করার চেষ্টা চালায়। এবং রাতের আঁধারে ঘর উত্তোলন করেন।