বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সম্ভাবনাময় আসন ছাড়ায় জামায়াতে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিতে বেশ আগেই শতাধিক আসন ছাড়ার প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১০ দলীয় (প্রক্রিয়াধীন ১১ দলীয়) নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেখা যায়—কয়েকটি আসনে দলটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। সমঝোতা চূড়ান্ত হলে আরও আসন ছাড়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। তবে এর মধ্যেই সম্ভাবনাময় অনেক […]

সম্ভাবনাময় আসন ছাড়ায় জামায়াতে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিতে বেশ আগেই শতাধিক আসন ছাড়ার প্রস্তুতি নেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১০ দলীয় (প্রক্রিয়াধীন ১১ দলীয়) নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেখা যায়—কয়েকটি আসনে দলটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। সমঝোতা চূড়ান্ত হলে আরও আসন ছাড়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। তবে এর মধ্যেই সম্ভাবনাময় অনেক আসন ছেড়ে দেওয়ায় দলটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনি জোটের স্বার্থে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র না দিলেও দীর্ঘদিনের গণসংযোগ, মাঠপর্যায়ের তৎপরতা ও আবেগঘন স্মৃতির কথা তুলে ধরছেন অনেকেই। ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থীদের জন্য শুভকামনা জানালেও মাঠের বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান উঠছে তৃণমূলে।

এদিকে প্রত্যাশামতো আসন নিশ্চিত না হওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। শেষদিনের আগে সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় অনেক দল বাড়তি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়, যা নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়। সামাজিক মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনাও চলছে। দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানালেও জামায়াত মনে করছে, আলোচনায় বসলে জটিলতা কাটবে।

মনোনয়নপত্র জমার শেষদিনের আগে গত রোববার সংবাদ সম্মেলনে ১০ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এতে আগে থেকে আন্দোলনরত আট দলের সঙ্গে যুক্ত হয় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্য শরিকদের মধ্যে রয়েছে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)। পরদিন অনানুষ্ঠানিকভাবে এবি পার্টি যুক্ত হয়।

ওই সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির বলেন, এটি জোটের চেয়েও শক্ত একটি নির্বাচনি সমঝোতা; আসন বণ্টন প্রায় সম্পন্ন, বাকি বিষয়গুলো মনোনয়ন জমার পর সমাধান হবে।

সূত্র জানায়, মনোনয়ন জমার শেষ দিনে ১১ দল মিলে ৩০০ আসনে সাত শতাধিক প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ২৭৬, ইসলামী আন্দোলন ২৭২, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯০, খেলাফত মজলিস ৬৭, এনসিপি ৪৭ ও এলডিপি প্রায় ২৫টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। সমঝোতার কিছু আসনে একক প্রার্থী থাকলেও বহু জায়গায় একাধিক দলের প্রার্থী রয়েছে।

মনোনয়ন জমার পরদিনই আসন সমঝোতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। দলটির দাবি, তারা ১৪৩টি আসনে ‘এ-ক্যাটাগরি’। এ নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে প্রেস ব্রিফিং আহ্বান করা হলেও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত হয়। তবে সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া অব্যাহত থাকে।

ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, আসন সমাধানে তারা সন্তুষ্ট নন বলেই ২৭২টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছেন। আলোচনার পথ খোলা থাকলেও সন্তোষজনক সমাধান না হলে আলাদাভাবে নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা জানান তিনি।

এদিকে ইসলামী আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর তৃণমূলে অসন্তোষ বাড়ছে বলে জানা গেছে। সম্ভাবনাময় আসন ছাড়ার পাশাপাশি জোটের কিছু শরিকের বিতর্কিত মন্তব্যের সমালোচনাও করছেন তারা। ভোটের বাস্তবতা বিবেচনা না করে অবাস্তব দাবি তোলার অভিযোগ উঠেছে।

‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলের পোস্টে বলা হয়, ১১ দলীয় জোটে জামায়াতের তথাকথিত ‘গ্রিন সিট’ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। গত পাঁচ বছরে সংগঠনটি অন্তত ৭০টি আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করলেও সেসব আসনে ছোট দলগুলোর দাবি চাপ সৃষ্টি করেছে।

তবে জামায়াতের মিডিয়া সেল এক ফেসবুক পোস্টে বলেছে, জোটের বৃহত্তর স্বার্থে প্রার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিশ্চিত আসন ছেড়ে দিয়ে আদর্শভিত্তিক রাজনীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন—ক্ষমতার চেয়ে আদর্শই তাদের চালিকাশক্তি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ জানান, ঐক্য অটুট রাখতে সম্মানজনক আসন বণ্টনের জন্য দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুল জলিল বলেন, আলোচনা চলমান রয়েছে এবং মনোনয়ন বাছাইয়ের পর সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর বড় কোনো সমস্যা নেই; আলোচনায় বসলে সব জটিলতারই সমাধান হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০