নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার মদনে সাবেক সেনা কর্মকর্তার মঞ্জুরুল হকের জমি দিয়ে সড়ক নির্মাণ করেছে পৌরসভা। এটির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করতে গত নভেম্বরের ২৪তারিখ পৌর প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। প্রশাসকের মৌখিক অনুমতি পেয়ে রাস্তার মাটি সরানোর কাজ শুরু করেন। পরে এটি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়। তবে সেনা কর্মকর্তার দাবি তাঁর অনুমতি না নিয়ে জমির মাঝখান দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এটি উভয় পাশের জমির মালিকের মাঝখান দিয়ে নিজ খরচে রাস্তা সরিয়ে নেওয়ার আবেদনের অনুমতি পেয়ে কাজ শুরু করেন।
আবেদনের উল্লেখ আছে, পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের নূরীয়া হুসাইনিয়া মাদ্রাসার প্রায় ২০০ গজ পশ্চিমে মদন-নেএকোনার প্রধান সড়ক হইতে উওর দিকে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এই রাস্তার মাঝামাঝি পর্যায়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মঞ্জুরুল হকের কয়েকটি জমির উপর দিয়ে সম্পূর্ন রাস্তা নেওয়া হয়েছে। তারা কেউ বাড়িতে না থাকেন না। সে জন্য রাস্তা নির্মাণের সময় ইচ্ছাকৃর্ত ভাবে রাস্তা পুরো অংশ পৌর কর্তৃপক্ষ তাঁর জমির উপর উপর দিয়ে নেওয়া হয়। এই রাস্তাটি আরও অধিক কাজ/ পাকা করার পূর্বে আপনার অধীনস্থ সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে রাস্তার সীমানা পূর্ণ নির্ধারন করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হয়। যাতে ভবিষ্যতে আর কোন জটিলতা সৃষ্টি না হয়।
ওই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ্য করেন, রাস্তাটির সীমানা পূর্ন নির্ধারণে তিনি নিজ খরচ মাটি কাটার কাজ সম্পন্ন করিবেন।
সাবেক ক্যাপ্টেন মো. মঞ্জুরুল হকের ভাই সাদেক মিয়া বলেন- আমার এলাকায় থাকেন না। রাতের আঁধারে পৌর কর্তৃপক্ষ ৩-৪ বছর আগে আমাদের জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে। পৌরসভায় আবেদন করে মৌখিক অনুমতি পেয়ে নিজ খরচে রাস্তা সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছিলাম। কিন্তু কয়েকজন উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে অপপ্রচার করেছে।
মদন পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী জানান, রাস্তা সরিয়ে নেওয়ার আবেদনের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নতুন যোগদান করেছি। রাস্তা কাটার সময় আমি প্রশিক্ষণে ছিলাম। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে এসিলেন্ট রাস্তা কাটা সাময়িকভাবে বন্ধ করেন। রাস্তার বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।