ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি হামলায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মশালায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি এ নির্দেশনা দেন।
তারেক রহমান বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা পল্টন এলাকায় দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। এই নৃশংস ঘটনার প্রতি তিনি গভীর ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানান। তিনি ছাত্রদলসহ দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান—সরকারকে, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার, যাতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা সেই ষড়যন্ত্রেরই প্রমাণ।
তিনি আরও বলেন, গত এক বছরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়েছে যে আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে প্রত্যাশিত নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না এবং তা বাধাগ্রস্ত করা হবে। একটি দল, গোষ্ঠী বা কিছু ব্যক্তি দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হাদির ওপর হামলাকে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা ধ্বংস করতে চায়, তারা ইতোমধ্যে তাদের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে—ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনাই তার প্রমাণ। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কিছুদিন আগেও চট্টগ্রামে একইভাবে বিএনপির আরেক প্রার্থীকে গুলি করা হয়েছিল।