সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

“খালেদা জিয়া আপসহীন লড়াকু জননেত্রী, পুরো দেশ তাঁর জন্য কাঁদছে, দোয়া করছে, আল্লাহ অবশ্যই তাঁর সহায় হবেন : আসিফ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে যখন সারাদেশে গভীর শোক–উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, সেই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবরের একটি আবেগঘন পোস্ট। সেখানে তিনি রাজনীতির অতীত–বর্তমান প্রসঙ্গ টেনে তীব্র সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ সরকারের অতীত শাসনব্যবস্থা ও বর্তমান রাজনৈতিক সংকটকে। ফেসবুক পোস্টে আসিফ আকবর বলেন, […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ নভেম্বর ২০২৫, ২১:০৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে যখন সারাদেশে গভীর শোক–উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, সেই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবরের একটি আবেগঘন পোস্ট।

সেখানে তিনি রাজনীতির অতীত–বর্তমান প্রসঙ্গ টেনে তীব্র সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ সরকারের অতীত শাসনব্যবস্থা ও বর্তমান রাজনৈতিক সংকটকে।

ফেসবুক পোস্টে আসিফ আকবর বলেন, “এই দেশে ফ্যাসিস্টের সূতিকাগার স্থাপন করেছিল একদলীয় বাকশালতন্ত্র। সেই অমানবিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভেঙে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের সুযোগে ফ্যাসিবাদী শক্তিরাও পুনর্বাসিত হয়েছে।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর বিদেশে থাকা এক ‘পলাতক ফ্যাসিস্ট নেত্রী’ মন্তব্য করেছিলেন— “আই অ্যাম নট আনহ্যাপি।” তার মতে, এ বক্তব্য সেই সময়কার নিষ্ঠুর রাজনৈতিক মানসিকতার প্রতীক হয়ে আছে।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে আসিফ লেখেন, “দেশনেত্রী বেগম জিয়া জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। তিনি কখনও ফ্যাসিবাদী জুলুমের কাছে পরাজিত হননি, দেশ ছেড়ে পালাননি। আজ তিনি অসুস্থ—সারা দেশের মানুষ তাঁর জন্য দোয়া করছে।”

তারেক রহমানের অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নির্যাতিত রাজনৈতিক ব্যক্তি। ১/১১ তে দেশে–বিদেশে ষড়যন্ত্রকারীরা যেভাবে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে, তা জাতি ভুলে যায়নি। তাঁর নিরাপত্তা, ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা ও রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তিনি নতুন কোনো রাজনৈতিক খেলার বলি হোক, সেটা জাতি চায় না।”

মায়ের অসুস্থতা নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে আসিফ আরও বলেন, “খালেদা জিয়া আপসহীন লড়াকু জননেত্রী। আল্লাহ অবশ্যই তাঁর সহায় হবেন। আজ কয়েকজন রাজনৈতিক কুমির ছাড়া পুরো দেশ তাঁর জন্য কাঁদছে, দোয়া করছে। আবেগের ফাঁদে পা দিয়ে কেউ যেন ঘোলা পানিতে মাছ ধরার সুযোগ না পায়।”

তিনি খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বলেন, “আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসুন। আপনার অপেক্ষায় আছে পুরো জাতি।”

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে ডুবে না ফেরার দেশে অভিনেতা রাহুল

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে। জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা। তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৪

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে।

জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা।

তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষে অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি পানিতে নামেন।

তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনোভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।