বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে’ বলা ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার কারাগারে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ মাস আগের শাহবাগ থানার একটি মামলায় তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সোমবার শেখ হাসিনার রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড পোস্টকে কেন্দ্র করে ঢাবির কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে বাসা থেকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে।

নিউজ ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪০

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ মাস আগের শাহবাগ থানার একটি মামলায় তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সোমবার শেখ হাসিনার রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড পোস্টকে কেন্দ্র করে ঢাবির কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে বাসা থেকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে।

মঙ্গলবার ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাসুম মিয়া জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে লাভলুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী জি এম কাউসার উল ইসলাম জানান, তাঁকে হাজতখানায় রাখা হলেও আদালতে তোলা হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে জেলহাজতে রাখার আবেদন করেন, যা বিচারক মঞ্জুর করেন।

লাভলুকে গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় প্রশ্ন উঠলে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “আমার ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলেন।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। লাভলু গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি এবং রাজনৈতিক মতপ্রকাশের কারণেই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে। তিনি শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে শেয়ার করা ফটোকার্ডে লিখেছিলেন— “I don’t care”—এবং ক্যাপশনে যুক্ত করেন “জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু”।

গ্রেপ্তার আবেদনে দাবি করা হয়—ঢাবির সাবেক উপাচার্যের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণে অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছিলেন। তদন্ত চলমান থাকায় তাঁকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয় এবং সহযোগীদের শনাক্তে রিমান্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন।

এজাহার অনুযায়ী, গত ৩১ মে কাঁটাবন মোড়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা স্লোগান দিলে পুলিশ পৌঁছালে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরদিন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪০–৫০ জন অজ্ঞাতকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।

রাজধানী

আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্ল্যাকমেইল ও মামলাবাণিজ্যের অভিযোগে আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী–কে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, ব্ল্যাকমেইল, মামলাবাণিজ্য ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছে জুলাই আন্দোলনের মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় […]

আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১২

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্ল্যাকমেইল ও মামলাবাণিজ্যের অভিযোগে আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী–কে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ব্ল্যাকমেইল, মামলাবাণিজ্য ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছে জুলাই আন্দোলনের মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা আদায়ের ঘটনায় তদন্ত জোরদার হলে তাহরিমা জান্নাত সুরভীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই চক্রটি বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত হত্যা মামলায় নাম জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ধাপে ধাপে অর্থ আদায় করা হতো।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মামলার আসামি বানানো, পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ‘মীমাংসা’ করে দেওয়ার প্রলোভনে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করত চক্রটি। এই প্রতারণার মূল নেতৃত্বে ছিলেন তাহরিমা জান্নাত সুরভী।

পুলিশ জানায়, তাহরিমা গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও লক্ষ্যভিত্তিক লাইভের মাধ্যমে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। অভিযোগ রয়েছে, এই পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন।

গ্রেপ্তারকৃত তাহরিমা জান্নাত সুরভীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার তদন্তে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিস্তারিত আসছে…

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে…

রাজধানী

সব শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন টিকতেই আল্লাহর দরবারে প্রকাশ্যে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন তোজা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল হক তোজা। এ সময় তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। তার এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মুহূর্তেই আলোচনার সৃষ্টি হয়।

তোজাম্মেল হক তোজা বলেন, সব প্রতিকূলতা ও শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন বৈধ হওয়া তার জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভালোবাসার ওপর আস্থা রেখেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। একই সঙ্গে তিনি মানিকগঞ্জ-১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, যাচাই-বাছাই শেষে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হলেও তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এই আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।