মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে’ বলা ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার কারাগারে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ মাস আগের শাহবাগ থানার একটি মামলায় তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সোমবার শেখ হাসিনার রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড পোস্টকে কেন্দ্র করে ঢাবির কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে বাসা থেকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে।

নিউজ ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৪০

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ মাস আগের শাহবাগ থানার একটি মামলায় তাঁকে সন্দেহভাজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সোমবার শেখ হাসিনার রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড পোস্টকে কেন্দ্র করে ঢাবির কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে বাসা থেকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে।

মঙ্গলবার ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মাসুম মিয়া জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে লাভলুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী জি এম কাউসার উল ইসলাম জানান, তাঁকে হাজতখানায় রাখা হলেও আদালতে তোলা হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে জেলহাজতে রাখার আবেদন করেন, যা বিচারক মঞ্জুর করেন।

লাভলুকে গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় প্রশ্ন উঠলে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “আমার ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলেন।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন। লাভলু গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি এবং রাজনৈতিক মতপ্রকাশের কারণেই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে। তিনি শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে শেয়ার করা ফটোকার্ডে লিখেছিলেন— “I don’t care”—এবং ক্যাপশনে যুক্ত করেন “জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু”।

গ্রেপ্তার আবেদনে দাবি করা হয়—ঢাবির সাবেক উপাচার্যের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণে অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছিলেন। তদন্ত চলমান থাকায় তাঁকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয় এবং সহযোগীদের শনাক্তে রিমান্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন।

এজাহার অনুযায়ী, গত ৩১ মে কাঁটাবন মোড়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা স্লোগান দিলে পুলিশ পৌঁছালে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরদিন ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪০–৫০ জন অজ্ঞাতকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।

রাজধানী

বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিএনপির নেতা এহসানুল হক মিলনকে

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা ড. আ. ন. ম. এহসানুল হক মিলনকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল তার। এ প্রসঙ্গে ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে দেশ ছাড়তে দেওয়া হয়নি। তবে এ […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:৪০

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা ড. আ. ন. ম. এহসানুল হক মিলনকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল তার।

এ প্রসঙ্গে ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে দেশ ছাড়তে দেওয়া হয়নি।

তবে এ বিষয়ে নিজের ব্যাখ্যায় ড. মিলন সংবাদমাধ্যমে বলেন, আমি পুরোনো পাসপোর্ট নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানে ‘মিলন’ নামটি লেখা নেই। আমার ভুলের কারণে ফিরতে হয়েছে। আমি রাতের ফ্লাইটে ব্যাংকক যাচ্ছি।

রাজধানী

বর্ষা নিজেই গলায় কোপ দেয় জুবায়েদকে: পুলিশ

ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, হত্যার সময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, যিনি নিহত জুবায়েদের প্রেমিকা ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, জুবায়েদ হত্যার মুহূর্তে জীবন ভিক্ষা চাইলেও বর্ষা নির্বিকার ছিলেন।

নিউজ ডেস্ক

২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৪:৫১

ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, হত্যার সময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বার্জিস শাবনাম বর্ষা, যিনি নিহত জুবায়েদের প্রেমিকা ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, জুবায়েদ হত্যার মুহূর্তে জীবন ভিক্ষা চাইলেও বর্ষা নির্বিকার ছিলেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জুবায়েদ নিয়মিত বর্ষার বাসায় টিউশনি করতে যেতেন। সেই সূত্রে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বর্ষা সে সময় মাহির রহমান নামের এক তরুণের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। কিন্তু জুবায়েদের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় মাহিরের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ ঘটে। পরে আবারও মাহিরের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন বর্ষা এবং সেখান থেকেই হত্যার পরিকল্পনা শুরু হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহির স্বীকার করেছে যে, প্রথমে শুধু জুবায়েদকে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বর্ষার চাপেই হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। এরপর বর্ষা নিজেই ছুরি দিয়ে জুবায়েদকে আঘাত করে হত্যা করে।

রোববার বিকেলে বর্ষার বাসায় যাওয়ার পথে মাহিরের সঙ্গে দেখা হয় জুবায়েদের। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে তাকে কুপিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত জুবায়েদ ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি। সোমবার ময়নাতদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

রাজধানী

মধ্যরাতে ঢাবি ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সং/ঘর্ষ, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছেন সাদিক কায়েম

রাজধানীর নীলক্ষেত ও নিউমার্কেট এলাকায় মধ্যরাতে ঢাবি ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতভর ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়িতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা, আর এই ঘটনায় সাংবাদিকসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন।

নিউজ ডেস্ক

১৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:২৭

রাজধানীর নীলক্ষেত ও নিউমার্কেট এলাকায় মধ্যরাতে ঢাবি ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাতভর ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়িতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা, আর এই ঘটনায় সাংবাদিকসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন।

রোববার দিবাগত রাতেই ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কে আশপাশের দোকানপাট ও রাস্তায় থাকা সাধারণ মানুষ ছুটোছুটি শুরু করে। স্থানীয়রা জানান, মধ্যরাত থেকে একটানা প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে নীলক্ষেত মোড় ও নিউমার্কেট এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রনেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এদিকে নীলক্ষেত ও নিউমার্কেট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের উপস্থিতির পর সংঘর্ষ কিছুটা স্তিমিত হলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন,

“ঢাবির শাহনেওয়াজ হলের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করেই মূলত উত্তেজনা শুরু হয়। পরে তা দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। আমরা দ্রুত উভয় পক্ষকে সরিয়ে দিই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেই।”

তিনি আরও বলেন,

“বর্তমানে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে, তবে আমরা সতর্ক আছি যাতে নতুন করে কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হঠাৎ এই সংঘর্ষে আবারও প্রশ্ন উঠেছে রাজধানীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক ও ছাত্র রাজনীতির দিক নিয়ে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এমন অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষ প্রশাসনিক তদারকির অভাব এবং দীর্ঘদিন ধরে দমনমূলক পরিবেশের ফলাফল, যেখানে ক্ষুদ্র একটি বিরোধই বড় আকার ধারণ করছে।