ওয়াজ–মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—এমন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ‘ভুল ও অসত্য’ বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়।
প্রেস উইং জানায়, কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে—১৭ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ডিসিরা ওয়াজ–মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণে প্রধান উপদেষ্টাকে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এই তথ্য মোটেও সঠিক নয়।
প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ওই বৈঠকে দুইজন জেলা প্রশাসক ও একজন বিভাগীয় কমিশনার বক্তব্য রাখলেও ওয়াজ-মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধ—এ বিষয়ে কেউই কোনো মতামত দেননি। বরং নির্বাচন, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, মাঠ পর্যায়ের সমন্বয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়েই আলোচনা হয়েছে।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টাও তার দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে এমন কোনো মন্তব্য করেননি। তার পুরো বক্তব্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত রয়েছে এবং সেখানে ওয়াজ-মাহফিল বা ধর্মীয় আলোচনার রাজনৈতিকীকরণ সংক্রান্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় না।
প্রেস উইংয়ের দাবি, গণমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃত বা ভুলভাবে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য ও বৈঠকের আলোচনাকে বিকৃত করে তুলে ধরা হয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। তারা অনুরোধ জানায়, অফিসিয়াল সোর্স ছাড়া এমন তথ্য প্রচার না করতে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানিয়েছে—সভাটি ছিল নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনের প্রস্তুতি, দায়িত্ব ও সমন্বয় বিষয়ক আলোচনা। এতে ধর্মীয় বক্তৃতা বা ওয়াজ-মাহফিলের রাজনৈতিক বক্তব্যের বিষয়টি এজেন্ডায় ছিল না।
সরকারি সূত্রের দাবি, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর তথ্যগতভাবে ভুল এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে।