কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা নেতা কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে তিনি নিজেও নির্বাচনে যাবেন না। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, “আওয়ামী লীগের ভোটাররা যদি ভোট দিতে না পারে, আমি গামছা নিয়ে সে নির্বাচন করতে যাব না। যদি জাতীয় পার্টির লাঙ্গলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়, আমি নির্বাচনে যাব না।
১৪ দল নির্বাচনে না গেলে আমাদের যাওয়ারই বা কী দরকার?”
সোমবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন মতিয়ার রহমান। উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এটিএম সালেক হিটলু, কালিহাতি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক তিতাস সিদ্দিকীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, “জামায়াত একা নির্বাচন করে যদি পাঁচটা আসনও পায়, আমি আল্লাহকে হাজির নাজির জেনে বলছি, আমার রাজনীতি শেখা হয়নি। তাদের অনেক টাকা-পয়সা আছে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে তারা যে অন্যায় করেছে, তার জন্য মানুষের কাছে সত্যিকারের ক্ষমা না চাইলে তারা কখনও শাসনক্ষমতায় আসতে পারবে না।”
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আপনি খোদার ঘর বাইন্ধা আসেন নাই। এনজিও চালানো আর দেশ চালানো এক কথা নয়। গ্রামীণ ব্যাংকের নামের সব প্রতিষ্ঠানের এখন বিপদ ঘনিয়ে এসেছে।
আপনি যদি নিরপেক্ষ, সন্তোষজনক ও জনগণের ইচ্ছেমতো নির্বাচন দিতে পারেন, তাহলে আপনার নাম ইতিহাসে সম্মানিতভাবে থাকবে। কিন্তু যদি মীর জাফর বা ঘষেটি বেগমের মতো আচরণ করেন, তাহলে ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না।”
তিনি বলেন, “দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। জনগণের ভোটাধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।”