আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। দীর্ঘ দুই মাস কারাভোগের পর তিনি মুক্তির পথ পেলেন।
জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ আরও ১৬ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। মামলাটিতে অভিযোগ আনা হয়, তারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।
বিচারপ্রার্থী পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, লতিফ সিদ্দিকী একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ও অসুস্থ ব্যক্তি, যিনি রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন এবং টেলিযোগাযোগ ও ডাক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। পরে দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন।
হাইকোর্টের জামিন আদেশের পর তার আইনজীবীরা জানান, আদেশের কপি পৌঁছানোর পরপরই তিনি মুক্তি পাবেন। মামলার অন্যান্য আসামিদের জামিন আবেদনও আদালতে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
রাজনৈতিক মহলে এই জামিন আদেশকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, এটি বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে।