মো. মিরাজ হোসাইন, ভোলা:
সীমান্তে দায়িত্ব পালনকালে মাইন বিস্ফোরণে আহত হয়ে মারা গেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদস্য নায়েক মো. আক্তার হোসেন। তিনি কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর সদস্য ছিলেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শনিবার সকালে বিজিবির একটি টিম হেলিকপ্টারযোগে মরদেহ ভোলার দৌলতখান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের নিজ গ্রামে আনা হয়। পরে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
নিহত নায়েক আক্তার হোসেন (৪৫) বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার আব্দুল মান্নান মিয়ার পুত্র। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
গত ১২ অক্টোবর কক্সবাজারের পেয়ারাবুনিয়া সীমান্ত এলাকায় টহলরত অবস্থায় মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর তাকে রামু সিএমএইচে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর পরদিন হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়। শুক্রবার সকালে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম (পিএসসি) বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমরা এক সাহসী সহযোদ্ধাকে হারালাম। নায়েক আক্তার হোসেনের আত্মত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ নায়েক আক্তার হোসেন দেশের জন্য আত্মোৎসর্গের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিজিবির পক্ষ থেকে তার আত্মার মাগফিরাত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।”