বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কিছু উপদেষ্টা ‘নীলনকশার নির্বাচনের ’ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের ভয়েস রেকর্ড আছে: ডা.তাহের

“প্রশাসনে যে অবস্থা চলছে এবং যেভাবে একচোখা নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনে সৎ, নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে হবে।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, “যদি সময়মতো সংশোধন না হয়, তবে কোন কোন উপদেষ্টা এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত, তাদের নাম আমরা জনসমক্ষে প্রকাশ করব। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আমাদের কাছে রয়েছে, তারা মিটিংয়ে কী বলেন তাও আমরা জানি। আমরা এখনো আশা করছি, তারা নিজেদের সংশোধনের সুযোগ নেবে।”

নিউজ ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ২০:০১

অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে ‘নীলনকশার নির্বাচন’ করার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। তিনি দাবি করেছেন, ওই উপদেষ্টাদের নাম ও তাদের ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের কণ্ঠ রেকর্ড জামায়াতের হাতে রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে এই ষড়যন্ত্র বন্ধ করার আহ্বান জানান।

সৈয়দ তাহের বলেন,

“প্রশাসনে যে অবস্থা চলছে এবং যেভাবে একচোখা নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনে সৎ, নিরপেক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে হবে।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, “যদি সময়মতো সংশোধন না হয়, তবে কোন কোন উপদেষ্টা এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত, তাদের নাম আমরা জনসমক্ষে প্রকাশ করব। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আমাদের কাছে রয়েছে, তারা মিটিংয়ে কী বলেন তাও আমরা জানি। আমরা এখনো আশা করছি, তারা নিজেদের সংশোধনের সুযোগ নেবে।”

জনপ্রশাসনে এক সচিব নিয়োগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“সরকারের কিছু উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে এখানে কোনো দলীয় বা অসৎ ব্যক্তিকে দেওয়া হবে না। কিন্তু আমরা বিস্ময়ে দেখেছি, কথা বলার একদিন পরেই সেখানে এমন একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যার অতীত দুর্নীতিতে ভরা এবং যিনি একটি দলের প্রতি সম্পূর্ণ অনুগত।”

তিনি আরও যোগ করেন,

“আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেছি, সেখানেও একই ধরনের অভিযোগ—একটি নির্দিষ্ট দলের অনুগতদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এভাবে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে একটি পূর্বনির্ধারিত নীলনকশার নির্বাচন করার চেষ্টা চলছে। এমন নির্বাচনে কোনোভাবেই সুষ্ঠুতা আসবে না। ২০১৮ সালের মতো কিংবা ২০২৪ সালের মতো আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।”

জামায়াত নেতা বলেন,

“অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত হবে প্রশাসনকে পক্ষপাতহীন রাখা এবং জনগণের আস্থা অর্জন করা। আমরা চাই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব জনগণের ভোটে নির্ধারিত হোক, কোনো ছলচাতুরী বা গোপন চুক্তির মাধ্যমে নয়।”

জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ. টি. এম. মাসুম, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, আবদুল হালিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, দেশের জনগণ আর কোনো সাজানো নির্বাচন দেখতে চায় না; তারা চায় প্রকৃত গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রশাসন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭