মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

অন্তর্বর্তী সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করতে হবে : রাশেদ প্রধান 

“অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১৭ তারিখে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। কিন্তু এতে কোনো আইনগত ভিত্তি তৈরি হচ্ছে না, এটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা। বিএনপি প্রথমে গণভোটে রাজি ছিল না, এখন রাজি হলেও তারা জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোট করতে চায়। একই দিনে দুই ভোট হলে গ্রামীণ এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা কঠিন হবে। ফলে প্রতীকনির্ভর জাতীয় নির্বাচন মুখ্য হয়ে যাবে, আর প্রশ্ননির্ভর গণভোট গৌণ হয়ে পড়বে।”

নিউজ ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৪৫

অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাগপার সাত দফা দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান।

রাশেদ প্রধান বলেন,

“অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১৭ তারিখে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। কিন্তু এতে কোনো আইনগত ভিত্তি তৈরি হচ্ছে না, এটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা। বিএনপি প্রথমে গণভোটে রাজি ছিল না, এখন রাজি হলেও তারা জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোট করতে চায়। একই দিনে দুই ভোট হলে গ্রামীণ এলাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা কঠিন হবে। ফলে প্রতীকনির্ভর জাতীয় নির্বাচন মুখ্য হয়ে যাবে, আর প্রশ্ননির্ভর গণভোট গৌণ হয়ে পড়বে।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন,

“জুলাই সনদ নিয়ে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। অন্তর্বর্তী সরকারকে এই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ দিতে হবে এবং জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই সেই আদেশের ওপর গণভোট আয়োজন করতে হবে।”

বিএনপির অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন,

“বিএনপির বড় নেতারা এতদিন বলতেন, পিআর কী তা তারা জানেন না। অথচ এখন বলছেন, পিআর পদ্ধতির সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সংসদে নেওয়া হবে। যদি না বোঝেন, তবে সংসদে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে? আমরা ছোট দল, ১-২ শতাংশ ভোটের হিসাব করি। আপনারা বড় দল, কোটি কোটি কর্মী, তাহলে পিআর পদ্ধতিতে অংশ নিতে ভয় পাচ্ছেন কেন? আপনারা বলেন জনগণ পিআর বোঝে না, আসুন দেখা যাক—গণভোটে জনগণ কী বলে।”

রাশেদ প্রধান আরও বলেন,

“অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানাই— জাতীয় পার্টি ও চৌদ্দ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করুন, আওয়ামী লীগের মতোই তাদের বিচারের মুখোমুখি করুন। আওয়ামী লীগ সরকারের রেখে যাওয়া প্রশাসন এখনো বহাল, তার মধ্যেই বিএনপিপন্থিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশাসন দিয়ে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রশাসন পুনর্গঠন করতে হবে, যাতে আগামী নির্বাচন সমান সুযোগে, পিআর পদ্ধতিতে ও বিদেশি প্রভাবমুক্তভাবে অনুষ্ঠিত হয়।”

জাগপার মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন্দ বলেন, “৫ আগস্টের পর রাজপথে আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা তখন বুঝতে পারিনি। কিন্তু আজ সাতটি দল বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমেছে। আগামী নির্বাচন অবশ্যই পিআর পদ্ধতিতে হতে হবে।”

এছাড়া মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ মো. সফিকুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক এস. এম. জিয়াউল আনোয়ার, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক শ্যামল চন্দ্র সরকার, শ্রমিক জাগপার সভাপতি আসাদুজ্জামান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

একইসঙ্গে জাগপার সাত দফা দাবিকে সামনে রেখে দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরে একযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় মানববন্ধনে চট্টগ্রামে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এ. এম. এম. আনাছ, রাজশাহীতে মো. শামীম আক্তার পাইলট, সিলেটে সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহজাহান আহমদ লিটন, খুলনায় ছাত্র জাগপার সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকী, ময়মনসিংহে যুব জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক ওলিউল আনোয়ার, রংপুরে জেলা সমন্বয়ক মাসুম বিল্লাহ এবং বরিশালে জেলা সহসমন্বয়ক মনিরুজ্জামান মনির।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৫৪