গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দিকেও মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। দীর্ঘ সংঘাত ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এই বিনিময় চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের অচলাবস্থায় সাময়িক স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) আল জাজিরার সরাসরি প্রতিবেদনে জানানো হয়, মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দিদের বহনকারী কয়েকটি বাস ইতোমধ্যে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় পৌঁছেছে। মুক্ত বন্দিরা বাসের ভেতর থেকে হাসিমুখে বিজয়ের চিহ্ন দেখাচ্ছেন। তাদের স্বাগত জানাতে রাস্তাজুড়ে জনতার ঢল নামে। অনেকেই হাতে ফিলিস্তিনি পতাকা নাড়িয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন, অন্যরা মোবাইলে এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত ধারণ করেন।
এর আগে দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ কারাগার থেকে বন্দিদের বহনকারী বাসগুলো যাত্রা শুরু করে গাজার উদ্দেশে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, কয়েকটি বাস ইতোমধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। প্রতিটি বন্দির আগমন ঘিরে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পরিবারগুলো চোখের জলে তাদের প্রিয়জনদের বরণ করে নিচ্ছে।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে হামাস ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দিতে শুরু করে। প্রতিশ্রুতিমতো জীবিত সব বন্দিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আল জাজিরা। একই সঙ্গে ইসরায়েল তার কারাগারগুলো থেকে আটক ফিলিস্তিনিদের পর্যায়ক্রমে মুক্তি দিতে শুরু করেছে।
এই বন্দি বিনিময়কে দুই পক্ষের মধ্যকার আস্থা পুনর্গঠনের প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, যদি এই চুক্তি স্থায়ী শান্তি আলোচনায় পরিণত হয়, তবে বহু দশকের সংঘাত প্রশমনের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে পারে। তবে ইসরায়েল ও হামাসের পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো এই প্রক্রিয়ার প্রধান বাধা হয়ে আছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?