বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক মন্ত্রী দীপু মনিকে সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। এ সময় তার মুখে মাস্ক, শরীরে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল।
আদালতে তোলার পর দীপু মনি আসামির কাঠগড়ায় নিচু হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং কিছু সময় পরে সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান সেলিমের সঙ্গে কথা বলেন। সকাল সাড়ে দশটার দিকে বিচারক এজলাসে প্রবেশ করলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্যের পর দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দীপু মনি কোনোভাবে জড়িত নন। তিনি গুরুতর অসুস্থ, আজ তাকে হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল।” এরপর দীপু মনি নিজেই আদালতের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, “মাননীয় আদালত, আমি অসুস্থ। গত আগস্ট থেকেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। আমাকে হাসপাতাল নেওয়ার কথা থাকলেও আদালতে হাজির করা হয়েছে। আমার ব্রেন পরীক্ষার প্রয়োজন, কিন্তু বারবার পরীক্ষার নামে শুধু ঘোরানো হচ্ছে। আমাদের কি মরিয়া প্রমাণ করতে হবে আমরা অসুস্থ?”
তিনি অভিযোগ করেন, কারাগারে এক বছরের বেশি সময় ধরে আছেন, কিন্তু আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ খুব সীমিত। তার দাবি, ৬০টিরও বেশি মামলার মুখোমুখি হয়ে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাচ্ছেন না।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, “কারাবিধি অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগেও কোনো বাধা নেই।”
দুই পক্ষের বক্তব্য শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে প্রিজন ভ্যানে করে দীপু মনিকে আবার কাশিমপুর মহিলা কারাগারে নেওয়া হয়।