বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ভারতীয় আমেরিকানদের বাংলাদেশ-বিরোধী ষড়যন্ত্র সফল হবে না

ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানরা পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরাতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তা কখনও সফল হবে না বলে বিশ্বাস করেন বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানদের সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ডাক উঠেছে।   ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও দেশটির কংগ্রেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চালানো হবে বলে এক […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৪, ২৩:৫৫

ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানরা পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরাতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তা কখনও সফল হবে না বলে বিশ্বাস করেন বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানদের সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ডাক উঠেছে।

 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও দেশটির কংগ্রেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চালানো হবে বলে এক ভারতীয় হিন্দু আমেরিকান কমিউনিটি নেতা হুমকি দেন। ডাক্তার ভারত বড়াই নামে এই নেতা বার্তাসংস্থা পিটিআইকে বলেন, ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পরই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তারা কাজ শুরু করবেন।

বাংলাদেশী আমেরিকানরা সোশাল মিডিয়ায় ফ্যাসিস্ট হাসিনাপন্থী হিন্দুদের এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহতের ডাক দিয়েছেন। গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বব্যাপী যার যার অবস্থান থেকে হিন্দুত্ববাদী অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

হিন্দু ওই আমেরিকান নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পোস্ট দিয়েছিলেন সেটি তাদের উদ্বুদ্ধ করেছে। আর এ বিষয়টি কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে তারা ট্রাম্পকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করবেন।

ভারত বড়াই বলেন, তাদের তৈরি পোশাক রপ্তানি যদি বন্ধ হয়ে যায়, যা তাদের ব্যবসার ৮০ শতাংশ, তাহলে বাংলাদেশের মানুষ খাবে কী?

বিশেষজ্ঞরা তার এই অপচেষ্টাকে কেবলই শিশুসুলভ, হিৎসাত্মক ও বৃথা বলে মনে করেন। তারা ব্যাখ্যা করে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মত একটি বড় দেশের রয়েছে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও সুদৃঢ় নীতি। মার্কিন সরকার কোনো গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরবরাহ করা মিথ্যা তথ্য যাচাই না করেই একটি দেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এমনটা আশা করা কেবলই মুর্খতা ও বোকামি। অতীতে এমন কোনো দৃষ্টান্ত দেখা যায়নি। আর বাংলাদেশের মত একটি বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগী দেশের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ তো প্রশ্নই আসে না।

ফেসুবকে এনিয়ে আহমেদ মুসা লিখেছেন, ফাউল আলাপ। ট্রাম্প মোদির বন্ধু মানে এই নয় যে ভারতের মতো চুনোপুঁটির কথায় সে আমেরিকা চালাবে। বাংলাদেশের সাথে আমেরিকার বানিজ্যচুক্তি শুধু বাংলাদেশের জন্যেই নয়, বরং উভয় দেশের স্বার্থে হয়। বাংলাদেশের টেক্সটাইলেই আমেরিকার সুবিধা বেশি। বিকল্প কোনো দেশ থাকলে অনেক আগেই তাদের থেকে আমদানি করতো আমেরিকা। আর সামান্য মোদির কথায় এত বড় বানিজ্য এমনি এমনি বন্ধ করে নিজের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিবে তা ট্রাম্পের নীতি নয়।

মোঃ নুর লিখেছেন, ভারত কিন্তু ইদানিং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করতেছে। ভারত কি জানেনা আমরা অস্ত্র ছাড়া বাঁশ দিয়ে একাত্তরে এদেশ স্বাধীন করেছি।..ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরাও ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেয়ার মতন সেই সাহস আমাদের রয়েছে।..বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমরা ছাড়াছাড়ি করিনা।

মীর কাশেম লিখেছেন, খুনী হাসিনা বিপুল পরিমাণের লুটপাটের টাকা দিয়ে হিন্দু আমেরিকানদের দিয়ে লবিং করাচ্ছেন। কিন্তু আমেরিকা এত শিশু দেশ না যে একটি গোষ্ঠীর দেওয়া তথ্য যাচাই না করেই তার ওপর ভীত্তি করে তারা একটি সহযোগী দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেবে। আর ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কাছে অবশ্যই সঠিক তথ্য রয়েছে। এভাবে স্বৈরাচার হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরানো যাবে না।

নুরুন্নবী সরকার লিখেছেন, কোনো লাভ হবে না।বিশ্ব রাজনীতি এখন দুই ভাগে বিভক্ত, আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা দিলে রাশিয়া পাশে দাঁড়াবে, আর রাশিয়ার সাথে ঝামেলা হলে আমেরিকা পাশে। সুতরাং এই সব পুরাতন থিওরি বাদ দিয়ে নতুন কিছু নিয়ে আসেন আমাদের জন্য।

 

মুফতী নুরুল আমিন লিখেছেন, আমেরিকা ২ প্রকার, এক প্রকার খারাপ আমেরিকা যারা সেন্ট মার্টিন দখল করতে চায়, আরেক প্রকার ভালো আমেরিকা, যারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবে। বানীতে অসহায় লীগ।

 

মোহাম্মদ আক্তার ইবনে ওয়াহাব লিখেছেন, চিরশত্রু ভারত লাভ নাই এসব করে। যে দেশ যত বেশি নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে সে দেশ নিজেরাই বিশ্বের বুকে বড় হয়েছে। ইরান, তুর্কি এর অন্যতম উদাহরণ।

 

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ লিখেছেন, ওদের সব নাচানাচি বন্ধ হয়ে যাবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মুহাম্মদ ইউনূসের একটা বৈঠক এর মাধ্যমে। আর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা কি এতো সহজ যে মনে চাইলাম একটি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দিলাম। আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এই নয় যে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া। ভেনেজুয়েলা, কিউবা, উওর কোরিয়া,ইরান, আফগানিস্তান, মায়ানমার সহ অনেক দেশকে দিয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না বরং তাঁরা আরো উন্নত হয়েছে।

 

তামিম রেজা লিখেছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে কাজ করবে ভারতীয় আমেরিকানরা! আর যারা বাংলাদেশী আমেরিকাতে আছি, আমরা কি বসে বসে আঙুল চুষবো?

 

জাহাঙ্গীর আলম লিখেছেন, ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ মদদেই এদেশে শেখ হাসিনা সরকার ও তাদের দোসররা ফ্যাসিস্ট সরকারে পরিনত হয়েছিল এবং এদেশের জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা লুটপাট করে এদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল, এদেশকে দূর্নীতি ও ঘুষের দেশে পরিণত করেছিল, হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যা করেছিল, বিরোধী দল-মত দমনে সীমাহীন নির্যাতন-গুম-খুন-সীমাহীন কেস দেয়া হয়েছিল, জনগণের ভোটাধিকার হরণ সহ জনগণের সকল অধিকার হরণ করেছিল। সর্বশেষ, ভারত সরকার, এদেশের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। আর, সময়ের পরিক্রমায় ভারত সরকারের এসমস্ত মিথ্যা প্রোপাগান্ডা সারা বিশ্বে উন্মোচিত হবে এবং ভারতকেই এজন্য জবাব দিহিতার সম্মুক্ষীণ হতে পারে। কারণ মিথ্যা বেশি দিন টিকে না।

ট্রাম্পকে ভারতীয় আমেরিকান হিন্দুদের মিথ্যা ও বিভ্রান্তমূলক তথ্য সরবরাহ করা প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। এখন যেহেতু উনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন, তাই অবশ্যই উনি দেখতে পারবেন ঘটনা আসলে কী ঘটেছে। আমরা মনে করি, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে প্রচুর অপতথ্য বা ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রয়েছে, তারা দেখবে বাংলাদেশে কী ঘটছে বা সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা আদৌ ঘটেছে কি না। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য বিজয়ী প্রেসিডেন্ট তখন নিশ্চয়ই প্রকৃত চিত্র জানতে পারবেন।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৩১