বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, দেশের জনগণ ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগকে গণহত্যাকারী দল হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ করেছে, যদিও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিকে নিষিদ্ধ করেনি।
তিনি মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা-৫ আসনের ছাত্র প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ দাবি জানান।
ড. মাসুদ বলেন, “৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। পৃথিবীর কোথাও গণহত্যাকারী দল দ্বিতীয়বার জনগণের সামনে ফিরে আসতে পারেনি—আওয়ামী লীগও ফেরত পাবে না।”
তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য যে ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে এবং যেকোনো সময় সচল হতে পারে’—এমন বক্তব্যকে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে সমালোচনা করেন।
প্রধান বক্তা হিসেবে ইসলামি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে অধিকার আদায়ের জন্য জনগণ বারবার রক্ত দিয়েছে; শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার পরিবারের কিছু কর্মকাণ্ড জনগণের অধিকারকে হরণ করেছে—
এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ নেতৃত্বে উঠে দেশকে মুক্ত করার আন্দোলন করেছে। জুলাই আন্দোলনের ফলে তার পতন ঘটেছে।”
সমাবেশে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত রেখে তাদের পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া চলবে না; অবিলম্বে দলটিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ করে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিবির ও জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।