বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

মামুনের কথা আমাদের কাছে অসংগতিপূর্ণ লেগেছে, আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে : পুলিশ

রাজধানীর তুরাগ থেকে নিখোঁজ কে এম মামুনুর রশীদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পূর্বাচলের ১ নম্বর সেক্টরের একটি মসজিদ থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে তাঁকে উদ্ধারের পর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তাঁর দেওয়া বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে বলে জানিয়েছে […]

মামুনের কথা আমাদের কাছে অসংগতিপূর্ণ লেগেছে, আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে : পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:১২

রাজধানীর তুরাগ থেকে নিখোঁজ কে এম মামুনুর রশীদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পূর্বাচলের ১ নম্বর সেক্টরের একটি মসজিদ থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে তাঁকে উদ্ধারের পর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তাঁর দেওয়া বক্তব্যে অসংগতি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মহিদুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, মামুনের শরীরে কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাঁকে মারধরও করা হয়নি। তাঁকে মোবাইলের পাসওয়ার্ডের জন্য শুধু দুটি চড় মারা হয়েছিল। আবার ঠিকমতো খাওয়াদাওয়াও করানো হয়েছিল বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন।

অপহরণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘তাঁর স্ত্রী আমাদের জানিয়েছেন, সাধারণত মামুন হাঁটতে বের হলে লুঙ্গি পরে বের হন। কিন্তু ওই দিন তিনি প্যান্ট ও পাঞ্জাবি পরে বের হয়েছিলেন। এর পর থেকে তাঁর মোবাইল বন্ধ ছিল। পরে ওই দিনই একটি নিখোঁজ জিডি হয়।’

মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যেহেতু মামুন জুলাই যোদ্ধা ছিলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সহিত আমলে নিয়েছি। ওই এলাকার সব সিসিটিভি ক্যামেরা তল্লাশি করেছি। শুধু একটি সিসি ক্যামেরায় তাঁকে একটি অটোতে করে যেতে দেখা গেছে। সেখানে তিনি নিজেই গিয়ে ওঠেন। তাঁকে কেউ ফোর্স করেনি।’

মহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘পরে তদন্ত করে আমরা চার-পাঁচটি ফেসবুক পেজ পেয়েছি। অনেকগুলো মোবাইল নম্বর পেয়েছি। গত পরশু দিন তাঁর একটি ফেসবুকে পেজে একটি পোস্ট হয়েছিল। আবার সেটি ডিলিটও হয়েছে। সেই পেজটি আবার তাঁর স্ত্রীর মোবাইলেও লগইন ছিল। সব বিষয় মিলিয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি।’

মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ডিসি মহিদুল বলেন, ‘ওই দিন বাসা থেকে বের হওয়া পর একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। ওই অটোরিকশায় আরও তিনজন ছিলেন। ওই তিনজন নাকি তাঁকে বলেছিলেন, তাঁরা কাঁচাবাজার কিনতে যাবেন। সেখানে অনেক সময় চাঁদা চায়, সে জন্য যেতে বলেন। কিন্তু ওই তিনজনকে মামুন চিনতেন না। কিন্তু তাঁকে তাঁরা চেনেন।’

ডিসি আরও বলেন, ‘সেখানে যাওয়ার পর একটি মাইক্রো আসে। পরে সেই মাইক্রোতে করেই তাঁকে নিয়ে গেছে। নিয়ে গিয়ে বেঁধে রেখেছিল। আবার ঠিকমতো খাওয়াদাওয়াও দিয়েছিল। আজকে সকালে নাশতাও দিয়েছিল। তখন আমরা মামুনের কাছে জিজ্ঞাসা করেছি, বাজারে ওইখানে তো বহু লোক থাকে, আপনি চিৎকার-হইচই করলেন না কেন?’

ডিসি মহিদুল বলেন, ‘আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। আরও জিজ্ঞাসাবাদ করব। তাঁর কথা আমাদের কাছে অসংগতিপূর্ণ লেগেছে। সেটা আমরা আরও ভালোভাবে জিজ্ঞাসা করলে জানতে পারব।’

এদিকে নিখোঁজ মামুনের বাবা মো. সফি বলেন, ‘আমার ছেলে অসুস্থ অবস্থায় আছে। সুস্থ হলে বাকিটা বলতে পারবে। নিখোঁজের বিষয়ে আমি জিজ্ঞাসাও করি নাই, বলতেও পারব না। প্রশাসনের লোক আছেন, তাঁরাই জিজ্ঞাসা করেছেন, তাঁরাই বলতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, তুরাগের কামারপাড়া এলাকা থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নিখোঁজ হয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তুরাগ থানার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও এনসিপির আহ্বায়ক প্রার্থী কে এম মামুনুর রশীদ। ওই দিনই তাঁর স্ত্রী খাদিজা আক্তার তুরাগ থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন।

অন্যান্য খবর

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় […]

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৩

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় নেই।

তার দাবি, জামায়াতের নেতাকর্মীরাই তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। পরে তারা জনরোষের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে এক অডিও বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য ও দাবি করেন।


অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আমার এখানে কোনো দোষ ছিল? তারা ওখানে গিয়েছে। তারা গিয়ে আমাদের লোকদেরকে মারধর শুরু করেছে। মারধর শুরু করে আমাদের অনেক লোক আহত করেছে। আমাদের লোকজন তো একসাথে ছিল না। তারা ওখানে গিয়ে আমাদের লোকদের মারধর শুরু করছে। পরে ওই এলাকার সব লোক আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে। ধাওয়া করলে তখন গুলি করতে করতে তারা বের হয়ে আসে সেখান থেকে।

তিনি আরও বলেন, তারা বিভিন্ন দিক দিয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে। আর এখানে আমি জানিও না। আমার কোন দায় নাই। টোটালি মিথ্যা কথা। গাড়িতে কারা গুলি করেছে, গুলির ভিডিও ফুটেজ আছে। আমি তো যাইও নাই। জানিও না। তাহলে এখানে আমাকে দায়ী করাটা কোনো কারণ নেই।

অন্যান্য খবর

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন […]

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ।

সায়ের লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ‍্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় (১২ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের পিএস মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব, ফয়সাল করিম মাসুদকে এই ভারতীয় নম্বরটি জোগাড় করে দেন বলে বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।’

পোস্টে তিনি একটি নাম্বারও যোগ করেন (+৯১৬০০১৩৯৪০**)। তিনি লেখেন, ‘এই নম্বরটি ব্যবহার করে গতকাল রাতে কয়েকটি নম্বরে নিজেদের এই সেলফি পাঠান ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান।’

তার দাবি, ‘যে সকল নম্বরে এই ছবিটি পাঠানো হয় তার একটি ইন্টারসেপ্ট করে এই ছবিটি পাওয়া যায়, যা গতকাল ভারতের আসাম রাজ‍্যের গুয়াহাটিতে তোলা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, অত্যন্ত সংকটাপন্ন ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার পর থেকেই সারা দেশে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

অন্যান্য খবর

স্বরাষ্ট উপদেষ্টার সামনেই তার পদত্যাগ দাবি করলেন সাদিক কায়েম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বিষয় আপাতত গোপন রাখা প্রয়োজন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাকসু প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১১

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বিষয় আপাতত গোপন রাখা প্রয়োজন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাকসু প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমসহ অন্যান্য নেতারা।

বৈঠক চলাকালে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সামনেই তার পদত্যাগ দাবি করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার পরও জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতারই প্রতিফলন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের ছোট ভাই সাদিক কায়েমের প্রতিটি দাবি যৌক্তিক। এর আগেও আমরা আপনাদের সামনে বলেছি, এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপ আরও বেগবান করতে হবে।” তিনি আশ্বস্ত করেন, ডাকসু নেতাদের উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “ওসমান হাদি এখন গুরুতর অসুস্থ। তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন—এই কামনায় আমরা সবাই দোয়া করি।”

হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতরা বর্তমানে দেশে আছে নাকি পালিয়ে গেছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সবকিছু এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়।” তবে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

এদিকে বৈঠক শেষে ডাকসু নেতারা জানিয়েছেন, তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে তাদের দাবিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।