ইসলামী আন্দোলনের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষ জীবন দিয়েছিলেন সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য। কিন্তু দেশ বারবার স্বৈরতন্ত্রের কবলে পড়েছে।
এ থেকে মুক্তির জন্য পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতেই হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দেওয়া এ সুযোগ নষ্ট করলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না।
মঙ্গলবার রাজধানীর বাসাবো খেলার মাঠে জনসভায় এসব কথা বলেন চরমোনাই পীর। তাঁর দল পিআর চাইলেও ঢাকা-৯ আসনের নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ সভা করা হয়। এ আসনে হাতপাখার প্রার্থী শাহ ইফতেখার তারিককে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে
চরমোনাই পীর বলেছেন, শিক্ষার মানে অবনতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে যাচ্ছে। শিশুদের মানসিক ও আদর্শিক ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
সরকার সেদিকে নজর না দিয়ে গানের জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে। কিন্তু সরকারের উচিত, স্কুলগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া। ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ না দিলে দেশের মানুষ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
মঙ্গলবার কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
নুরুল হুদা ফয়েজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে রেজাউল করীম বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে একটি দলের নেতার আচরণেই বোঝা যায় সুশিক্ষা নেই।
যারা ইসলামী মূল্যবোধের কথা বলে কিন্তু দেশকে মৌলবাদের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না– হুমকি দেয়, তাদের সঙ্গে আলেম-ওলামাদের ঘনিষ্ঠতা মানানসই নয়।