মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে আধুনিক অপারেশন থিয়েটারসহ নানা চিকিৎসা সুবিধা। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এসব সুবিধা থাকার পরও এখানে মাসে হাতে গোনা কয়েকটি অপারেশনই সম্পন্ন হয়। অথচ একই এলাকার বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে প্রতিমাসে পঞ্চাশেরও বেশি সিজারিয়ান অপারেশন হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসকরা রোগীদের বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে রোগীরা সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এদিকে উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিকেই ব্যবহৃত হচ্ছে পুরোনো ও নিম্নমানের যন্ত্রপাতি। নিরাপত্তা ও চিকিৎসার মান নিয়ে রয়েছে বড় ধরনের প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, এসব প্রতিষ্ঠানে অবহেলার কারণে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা প্রকাশ্যে আসে না। সামাজিক চাপ ও ময়নাতদন্তের ভয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা নীরব থাকেন।
সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত না করলে মানুষের আস্থা ফিরে আসবে না। পাশাপাশি বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কঠোর নজরদারি জরুরি।
টঙ্গিবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আব্দুল মালেক জানান, গত তিন মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাত্র পাঁচটি সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।