বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম

মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর দালালের দৌরাত্মে সেবা গ্রহিতারা নানা বিড়ম্বনায়। আর আগুনে ভস্মীভূত নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের দুই উপজেলার সেবা দিচ্ছে মুন্সীগঞ্জ অফিস। এতে দালাল চক্রের তৎপরতা বেড়েগেছে। তাই হয়রানির শিকার হচ্ছে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। জনবলের অভাবের দোহাই দিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। অসহনীয় পরিবেশে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতাদের। বিশৃঙ্খল পরিবেশেই কাগজপত্র […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৪, ২৩:০০

মুন্সীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর দালালের দৌরাত্মে সেবা গ্রহিতারা নানা বিড়ম্বনায়। আর আগুনে ভস্মীভূত নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের দুই উপজেলার সেবা দিচ্ছে মুন্সীগঞ্জ অফিস। এতে দালাল চক্রের তৎপরতা বেড়েগেছে। তাই হয়রানির শিকার হচ্ছে অনেক রেমিট্যান্স যোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। জনবলের অভাবের দোহাই দিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।

অসহনীয় পরিবেশে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতাদের। বিশৃঙ্খল পরিবেশেই কাগজপত্র জমা নেয়া হচ্ছে। সেখান থেকে ক্লিয়ারেন্স পেলে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ ও ছবি তোলার জন্য আরও লম্বা লাইন। জমা দেওয়ার পর আবার কারও কারও কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আবার অনেকে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্তের পর নির্ধারিত তারিখে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে এসেও ফিরে যাচ্ছেন। টুকিটাকি কিছু ভুলের কারণ দেখিয়েও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ সেবা গ্রহীতাদের।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ভুল সংশোধন করা পাসপোর্ট ঢাকায় পেন্ডিং আছে ৩ শতাধিক। এগুলো আসতে কিছুটা বিলম্ব হয়। কিন্তু সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগ দালালের মাধ্যমে আবেদন করলে সহজেই পাসপোর্ট মিলে।
পাসপোর্ট করতে আসা এক ভোক্তভোগী বলেন, ‘দালাল ছাড়া যদি আসি। তাহলে আমার পাসপোর্টটাই হবে না। যারা দেশে আছে তাদেরটাও না, আমরা যারা প্রবাসী আছি তাদেরটাও না।

দালাল ছাড়া যদি আমরা এখানে আসি শুধু ঘুরতে হবে। আমাদের পাসপোর্ট জীবনেও হবে না সেটা আমরা ভালো করে জানি। অবশ্যই সিস্টেম চেঞ্জ করা উচিত।

পাসপোর্ট করতে আসা আরেক যুবক বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিসের রাস্তা থেকে জিজ্ঞেস করে পাসপোর্ট বানাবেন। টাকা দেন ক্লিয়ার করে দেই। দালালকে দিলে ৫ মিনিটেই হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ নিজেরটা নিজে নিজে আসে। ওইটা ৫ ঘণ্টাতেও হয় না। শত শত লোক এসে দাঁড়িয়ে আছে। বসার কোনো ডিসিপ্লিন নাই।’
মধ্যবয়সী এক সেবাগ্রহীতা বলেন, ‘জেনুইনভাবে পাসপোর্ট করতে আসা লোক এখানে অপমান অপদস্ত ছাড়া আর কিছুই হয় না। দালালদের ২০০/৫০০ টাকা দিলে ১০ মিনিটের ভিতরে কাজ হয়ে যায়।

এটাতো বাংলাদেশের জনগণ আশা করে না। এখানে কোনো নিয়মনীতি নাই। অনেকেই দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে অসুস্থ হয়ে গেছে।’
পাসপোর্ট করতে আসা এক নারী সেবাগ্রহণকারী বলেন, ‘যখন দালালের মাধ্যমে পাসপোর্টের মাধ্যমে আবেদন করি। তখন দালালকে ১২ হাজার টাকা দেই। ১২ হাজার টাকায় ১৪ দিনে পাসপোর্ট খুব সহজেই পেয়ে যাই। এখন পাসপোর্ট পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’

পাসপোর্ট করতে আসা এক নারী সেবাগ্রহণকারী বলেন, ‘যখন দালালের মাধ্যমে পাসপোর্টের মাধ্যমে আবেদন করি। তখন দালালকে ১২ হাজার টাকা দেই। ১২ হাজার টাকায় ১৪ দিনে পাসপোর্ট খুব সহজেই পেয়ে যাই। এখন পাসপোর্ট পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’
আরেক পাসপোর্ট আবেদনকারী বলেন, ‘এটা একটা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। এখানে রুম রয়েছে
পর্যাপ্ত। কিন্তু অপারেটরের সংখ্যা সীমিত। এখানে আমরা আরও বেশি অপারেটর চাই। যাতে জনগণকে জিম্মি করা না হয়। অপারেটর বেশি থাকলে জনগণ বেশি সেবা পাবে। এতে আমরা উপকৃত হবো।’

আর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের থেকে আসা সরকারি চাকরিজীবী আনোয়ারা আক্তার অভিযোগ করে জানান, তার ছবির সাথে ঢাকার উত্তরার পশ্চিম আব্দুল্লাপুরের রেহানা আক্তারের চেহারার মিল থাকায় দীর্ঘদিন ঘুরেও পাসপোর্ট পাচ্ছেন না। এছাড়া একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন- তাদের ফাইল জমা দেয়ার পরও দিন শেষে ফাইল খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে নানাভাবে ধর্ণা দেয়ার পর ফাইল বের হয়।

অফিসটিতে নিয়ম শৃঙ্খলার কোনো বালাই নেই, ফ্রি স্টাইল চলছে উল্লেখ করে সিরাজদিখান থেকে এসা এক মালেশিয়া প্রবাসী প্রশ্ন করে বলেন, এভাবে একটা পাসপোর্ট অফিস চলতে পারে?

মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটির উপপরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন খন্দকার
বলেন, ছাত্র আন্দোলনে পুড়িয়ে দেয়া নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস ৪ মাসেও চালু করা যায়নি। তাই নারয়ণগঞ্জের বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষ পাসপোর্ট করতে আসেন মুন্সীগঞ্জে। বাড়তি চাপ আবার জনবল সঙ্কটে সমস্যায় পরতে হচ্ছে।

এছাড়া প্রতিদিন পাসপোর্ট অফিসে পুলিশ দেয়া হলেও বেশ কিছুদিন দেয়া হচ্ছে না। স্বল্প সংখ্যক আনসার কুলিয়ে উঠতে পারছে না। এছাড়া দালালের দৌরাত্ম্য নিয়ে তিনি বলেন, অফিসের ভেতরে কোনো দালাল নেই। বাইরের বিষয়তো আমাদের কন্ট্রোলে নেই।

তিনি জানান, গেল অক্টোবর মাসে মুন্সীগঞ্জ অফিস থেকে প্রায় ৮ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। এ পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন এখন গড়ে ৩শ’ আবেদন জমা পড়ে। নারায়ণগঞ্জের পাসপোর্টটি গত ১৭ জুলাই পুড়িয়ে দেয়া হয়। তাই এখন নারয়ণগঞ্জের ৭ উপজেলাকে ৩টি স্থানে পাসপোর্টের কার্যক্রম স্থান্তর করা হয়েছে।

এরমধ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ সদরের পাসপোর্টের কার্যক্রম চলছে। নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সোনারগাঁও, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দাদের পাসপোর্টের কার্যক্রম। আর মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে চলছে বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।