বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

আ’মীলীগকে ‘বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না’ মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়

‘তাদেরকে (আওয়ামী লীগ) বার বার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা আমি পছন্দ করি না, কারণ এরাওতো আমাদের পরিবারের সদস্য’- এমন মন্তব্য করে ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।   তার এই মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বিতর্কের ঝড়। পতিত স্বৈরাচার দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে গুম-খুন, লুটপাট সহ যে ভয়াবহ অপকর্ম […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৪, ২২:২০

‘তাদেরকে (আওয়ামী লীগ) বার বার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা আমি পছন্দ করি না, কারণ এরাওতো আমাদের পরিবারের সদস্য’- এমন মন্তব্য করে ঘরে-বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

 

তার এই মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বিতর্কের ঝড়। পতিত স্বৈরাচার দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে গুম-খুন, লুটপাট সহ যে ভয়াবহ অপকর্ম করে গেছে তাতে তারা কোনভাবেই সহানুভূতি পেতে পারে না- এমনটাই যুক্তি-তর্ক তুলে ধরছেন নেটিজেনরা।

 

বুধবার লন্ডনে একটি স্থানীয় হলে বৃটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজ (বিবিসিসিআই)-এর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়িত আমীর এমন মন্তব্য করেন। এর আগে আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

বিবিসিসিআই -এর প্রেসিডেন্ট রফিক হায়দারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন , আমি কোনো মৌলবাদী মুসলমান নই আর আমি কোনো মৌলবাদী না এবং মৌলবাদী কোনো খারাপ জিনিস নয়। মূল না থাকলে গাছের অস্তিত্ব টিকবে না মূল আমাদের লাগবে তবে যে সেন্সে মৌলবাদ স্টিগমাটা দেয়া হয় আমি ওই মৌলবাদী মুসলমান না। আমরা ইউনাইটেড বাংলাদেশ গড়তে চাই।

 

আমি বারবার ফ্যাসিজম আর ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করিনা কারণ এরাওতো আমাদের পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। ভুল মানুষই করে , দুর্নীতিও মানুষ করতে পারে। ভুল যে করবে সে ক্ষমা চাইবে , দুর্নীতি যারা করবে তারা শাস্তি পাবে। ন্যায় বিচারের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে কোনো অবিচার করে নয়। কারো উপরে জুলুম করে নয়। বার বার তাদের গালি দিতে হবে আমি এটাকে ভালো মনে করি না।

 

এজন্য আমি বলবো অতীতে যারা রাজনীতি করে গেছেন তারা ভুল করুক আর শুদ্ধ করুক তারাতো করে গেছেন ,এখন আমরা কি করবো সেটা ভাবি। শুধু তাদের পেছনে পড়ে থাকলে আমাদের লাভ কী হবে? তারা যা করেছেন এর সাক্ষী জাতি হয়ে গেছে। জাতি বিচার করবে তাদের কী করবে না করবে। এখন কথা হলো জাতির জন্য আমরা কী করবো?

ডাঃ শফিকুর রহমানের মন্তব্যে দলটির সমর্থকদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কোন অবস্থাতেই আওয়ামী প্রেম দেখানোর সুযোগ নেই মন্তব্য করে তারা এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়ে জাপান প্রবাসী খামিনি ইহ্সান ফ্যাসিস্টকে ফ্যাসিস্ট বলার হাদিস উল্লেখ করে লিখেছেন, আবু সায়িদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে কেউ কোনো অন্যায় হতে দেখলে যেন হাত দিয়ে তা প্রতিহত করে। যদি তা না পারে, তবে কথা দিয়ে; তাও না পারলে অন্তর দিয়ে (ঘৃণা করবে)। এটি ঈমানের দুর্বলতম স্তর।’ (মুসলিম : ৭৪)

কাজেই ফ্যাসিস্টদের ফ্যাসিস্ট বলে কিছুটা হলেও ঈমানের দাবি পূরণ করুন। ফ্যাসিস্টদের আত্মীয় স্বজন বলে তাদের প্রতি প্রেম পীরিতি দেখিয়ে দুর্বল ঈমানটুকুও হারাবেন না। মনে রাখবেন নেতারা সকাল বিকাল বদলাতে পারে৷ তবে আমাদের মিয়ারে হক বা সত্যের মাপকাঠিতো শুধুই রাসূল (সা.)।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সজিব রহমান লিখেছেন, ওনারা এতোদিন আওয়ামী জুলুমের কথা বলে সিম্পেথি অর্জনের রাজনীতি করেছেন, এখন শুধুমাত্র ভোটের আশায় আওয়ামী লীগকে নিয়ে সফটলি কথা বলছেন!আল্লাহ মাফ করুক।

মোঃ মিজান লিখেছেন, যে বা যারা শত্রুকে যদি বারবার শত্রুু বলতে অমঙ্গল মনে করেন, তাহলে আপনারা মঙ্গলগ্রহে চলে যান,কারণ ফেরাউনেরমতো শত্রু কখনোই ভালোবাসা, উদরতার ইত্যাদির প্রাপ্য নন,বরং একজন মোমেন ব্যক্তি ভালোবাসার, উদারতার প্রাপ্য।বর্তমান স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আমরা সবাই এক ও অভিন্ন।তার সাথে নম্রতা,ভদ্রতা উদারতা, ভালোবাসা দেখানো মানি জুলাইয়ের বিপ্লবীগনের সাথে রক্তের বেঈমানি ছাড়া আর কিছুই না,এখনো পর্যন্ত আমার ভাইয়ের রক্তের দাগ শুকাইনি, এখনো পর্যন্ত মায়ের আহাজারি শেষ হয়নি, এখনো পর্যন্ত স্বৈরশাসকের দাঙ্গা হাঙ্গামা শেষ হয়নি, তাদের সাথে কিসের উদারতা, ভালোবাসা!!!! শুধু তাই নয়, এই স্বৈরশাসক হাজারো উলামায়েকেরামকে মাসকে মাস,বছরকে বছর, অন্যায়ভাবে কয়েদখানায় বন্ধি রেখেছে, ফাঁসির রশিতে লটকানো হয়েছে।

তবুও যদি এই স্বৈরশাসকের অতীতের দেওয়া কষ্টগুলো যদি এতো তাড়াতাড়ি ভুলে যায় , তাহলে আমরা বোকা ছাড়া আর কিচ্ছু না।

এইচ এম রিফাত হোসাইন লিখেছেন, বিগত ১৫বছরে সবচেয়ে নির্যাতিত হয়েছে জামায়াত শিবিরের কর্মীরাই। আমিরে জামায়াতের এ ধরনের মন্তব্যে কর্মীদের থেকেই তীব্র প্রতিক্রিয়া আসা উচিত।

কর্মীরা গাইরতহীন হলে নেতা লাইনে থাকবে না, অথবা তাদের ওপর গায়রতহীন নেতা চাপিয়ে দেয়া হবে।

শাহ আলম লিখেছেন, বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করি না – জামায়াত আমীর’।
আমীর মহোদয় আপনি বার বার না বলেন অন্তত গুনে গুনে ২০০০+ বার বলেন। ২০০০+ মানুষতো খু-ন করেছে তারা ।
শহীদি মিছিল এখনো চলমান, এত তাড়াতাড়ি ভদ্র হয়ে গেলেতো কেমনে?

ইফতেখার হোসেন লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী আমীর এর মিডিয়ায় কথা কম বলা উচিত। সবার সামনে কথা বলতে আরও সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
দীর্ঘ সময় এভাবে কথা বলতে, মিডিয়া ফেস করতে অভ্যস্ত না হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বের বক্তব্য অগোছালো অসম্পূর্ণ আর বেফাস কথা বের হয়ে যাচ্ছে। সেটা ঢাকতে আরও কতো কথা বলতে হচ্ছে।

শামসুল হুদা মাসুম লিখেছেন, বারবার ফ্যাসিস্ট বলা পছন্দ করেন না, ওটা আপনার সমস্যা। কিন্তু রাজাকারদের রাজাকার, ফ্যাসিস্টদের ফ্যাসিস্টই বলা হবে। ইতিহাস যতদিন মুছে না যায়, ততদিন। যত বলা লাগবে, ততবার।

নাজমুল ইসলাম লিটন লিখেছেন, ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন ফ্যাসিস্ট কে বারবার ফ্যাসিস্ট বলা উনি পছন্দ করেন না, উনি আরোও বলেছেন তারা নাকি উনার পরিবারের সদস্য। তারমানে উনার বাসুর, বুঝলাম বাসুরের নাম মুখে নিতে উনার লজ্জা লাগে।

আমি জানিনা এই বক্তব্য জামাতের আমিরের ব্যাক্তিগত না দলীয়। উনি চাইলেই ফ্যাসিস্টকে ক্ষমা করতে পারেন? আমিতো বলবো দলগতভাবে জামাতেরও সেই এখতিয়ার নাই।

বিগত ফ্যাসিজমের আমলে হাজার হাজার সাধারন নিরিহ মানুষকে জামাত-শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। উনি ক্ষমা করলে নির্যাতিত মানুষগুলোর দায়ভার উনি নিবে না উনার দল নিবে?আসলে রাজনীতি খুব নোংরা জিনিস। ক্ষমতার জন্য সাদা পাঞ্জাবিওয়ালারা পতিতাবৃত্তিকে জায়েজ বলতেও দ্বিধা করেনা!

আদিল হাসান লিখেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছে জামাত। দলটির শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতা কর্মীকে গুম খুন করা হয়েছে। এই জামাতের মুখে আওয়ামী প্রেম মানায় না। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসলে জামাতকে আবারো আগের চেয়ে কঠিন ভাবে নির্মূল করবে- এ কথাটা মনে রাইখেন। একটা কথা আছে, কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯