ইয়েমেনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাসের আল-আতিফি ঘোষণা করেছেন, মার্কিন সমর্থিত ইহুদিবাদী শত্রুর মোকাবিলায় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। শনিবার সানায় ইয়েমেনি মুক্তি সরকার জানায়, গত বৃহস্পতিবার ইসরাইলি হামলায় ইয়েমেনি মন্ত্রীদের একটি প্রতিনিধি দলসহ প্রধানমন্ত্রী আহমদ গালিব আর-রাহভি শাহাদাত বরণ করেছেন। এরপর ইয়েমেনের সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাহদি আল-মাশাত মোহাম্মদ আহমেদ মিফতাহকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন।
সাবানেটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আল-আতিফি বলেন, ইয়েমেনি রাজনৈতিক নেতৃত্ব সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন, যে কোনো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হবে। আল-আতিফি যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করে বলেন, “যেমন গাজায় দেখা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করছে।”
লেবাননের হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে ইসরাইলি আগ্রাসনকে
“ইহুদিবাদী অপরাধের নতুন রেকর্ড” আখ্যা দিয়ে জানায়, ইয়েমেনি শহীদদের পবিত্র রক্ত স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধের সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে। বিবৃতিতে বলা হয়, গাজা থেকে লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরান পর্যন্ত শিশু, নারী ও নিরীহ মানুষ হত্যার মাধ্যমে ইসরাইল ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ করছে। হিজবুল্লাহ জোর দিয়ে জানায়, ইয়েমেন ফিলিস্তিনের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে এবং ইয়েমেনি জাতি ধৈর্য, অবিচলতা ও আনুগত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইয়েমেনের সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিলের প্রধান মাহদি আল-মাশাত ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,
“আমাদের প্রতিশোধ দেরি করবে না, ইসরাইলি অপরাধের কারণে তোমাদের জন্য কালো দিন অপেক্ষা করছে।” তিনি আরও বলেন, “দখলদার ইহুদিবাদীদের এখনও দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ আছে। অধিকৃত অঞ্চলে থাকা সব কোম্পানিকে অবিলম্বে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।”
আল-মাশাত কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আজ থেকে তোমরা নিরাপত্তার স্বাদ পাবে না। ইয়েমেনি জনগণের রক্ত সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে উৎখাত করেছে, এই ঘৃণ্য শাসন টিকতে পারবে না।”
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?