বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

জোরপূর্বক গাজার বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত করার প্রচেষ্টা :আফ্রিকার দিকে নজর ইসরায়েলের

গাজায় যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় এবং এই অঞ্চলে মানবিক সংকট এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে প্রতিদিন কয়েক ডজন গাজাবাসী প্রাণ হারাচ্ছে কেবল ইসরায়েলি সামরিক গুলিবর্ষণের কারণেই নয় ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কারণেও।ইসরায়েল গাজার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের জন্য বেশ কয়েকটি আফ্রিকান দেশের সাথে আলোচনা করছে। গাজার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক অন্য দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি এমন একটি নীতি যা ইসরায়েল দৃঢ়ভাবে […]

জোরপূর্বক গাজার বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত করার প্রচেষ্টা :আফ্রিকার দিকে নজর ইসরায়েলের

জোরপূর্বক গাজার বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত করার প্রচেষ্টা :আফ্রিকার দিকে নজর ইসরায়েলের

এডিটর

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১৮:২৯

গাজায় যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় এবং এই অঞ্চলে মানবিক সংকট এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে প্রতিদিন কয়েক ডজন গাজাবাসী প্রাণ হারাচ্ছে কেবল ইসরায়েলি সামরিক গুলিবর্ষণের কারণেই নয় ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কারণেও।ইসরায়েল গাজার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের জন্য বেশ কয়েকটি আফ্রিকান দেশের সাথে আলোচনা করছে।

গাজার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক অন্য দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি এমন একটি নীতি যা ইসরায়েল দৃঢ়ভাবে জোর দিয়ে আসছে বিশেষ করে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের এ অশুভ তৎপরতা বেড়েছে। একসময় গাজা যুদ্ধের মাধ্যমে ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার একটি চরম জাতীয়তাবাদী কল্পনা হিসেবে বিবেচিত হত এবং ট্রাম্প গাজা সংকটের সমাধান হিসেবে এটি প্রস্তাব করার পর থেকে এই ধারণাটি ধীরে ধীরে জাতীয়তাবাদী ধারণার ক্ষেত্র থেকে ইসরায়েলি নীতিতে একটি কার্যকরী কৌশলে রূপান্তরিত হয়েছে এবং এখন মনে হচ্ছে ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থা এই অঞ্চলের রাজনৈতিক এবং জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তনের আশায় এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে।

যদিও গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থনকারী দেশগুলো শুরু থেকেই এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে আসছে যার ফলে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর সমর্থক অনেক দেশও এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তারা ফিলিস্তিনিদের তাদের ভূমিতে থাকার আইনি অধিকারের উপর জোর দিয়েছে এবং অনেক মানবাধিকার গোষ্ঠীও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে ফিলিস্তিনিদের তাদের দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করা বা চাপ দেওয়া একটি সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ হতে পারে; তবে, ইহুদিবাদী সরকার এই নীতি বাস্তবায়নের জন্য জোর দিয়ে চলেছে এবং এখন আফ্রিকান দেশগুলোকে গাজা শরণার্থীদের গ্রহণের জন্য সম্ভাব্য গন্তব্য হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই দেশগুলোকে বেছে নেওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর একটি কারণ হল তাদের ভৌগোলিক নৈকট্য এবং গাজায় সহজ প্রবেশাধিকার। কিছু আফ্রিকান দেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় গাজার কাছাকাছি, এবং এই দেশগুলোতে লোক স্থানান্তর করতে কম খরচ হবে।

অন্যদিকে, অনেক আফ্রিকান দেশ পশ্চিমা দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা থেকে উপকৃত হতে ইচ্ছুক। অতএব, ইসরায়েলের সাথে তাদের সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং গাজার বাসিন্দাদের গ্রহণ করা এই সম্পর্কগুলোকে শক্তিশালী করার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা থেকে উপকৃত হওয়ার একটি উপায় হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে এই দেশগুলা গাজার বাসিন্দাদের গ্রহণকে আন্তর্জাতিক সাহায্য এবং সমর্থন পাওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।

বর্তমানে ইহুদিবাদী ইসরায়েল এবং তার পশ্চিমা সমর্থকরা উপনিবেশবাদের এক নতুন রূপে কিছু আফ্রিকান দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সুযোগ নিচ্ছে এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। যদিও অনেক আফ্রিকান দেশ এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং এটি প্রত্যাখ্যান করেছে।

যাইহোক, সংবাদ সূত্রগুলো গাজার বাসিন্দাদের গ্রহণের জন্য ইসরায়েল এবং দক্ষিণ সুদানের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার খবর দিয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ সুদান এখনও তেল আবিব কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনায় কেন? দক্ষিণ সুদান যা ২০১১ সালে সুদান থেকে আলাদা হয়ে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছিল আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে নাজুক অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির দেশগুলো মধ্যে একটি। স্বাধীনতার পর থেকে দেশটি দীর্ঘমেয়াদী গৃহযুদ্ধ, মানবিক সংকট এবং অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। তবে, দক্ষিণ সুদান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের সাথে তার সম্পর্ক প্রসারিত করেছে এবং এখন মনে হচ্ছে গাজার বাসিন্দাদের গ্রহণ করাকে ইসরায়েলের সাথে তার সম্পর্ক শক্তিশালী করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে, যার মাধ্যমে এটি তেল আবিব থেকে আরও সাহায্য পেতে পারে।

গাজার বাসিন্দাদের বহিষ্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে কেবল গাজা দখল ও দখলের ইসরায়েলের লক্ষ্যই পূরণ হচ্ছে না বরং আফ্রিকায় ইসরায়েলের প্রভাব আরও সম্প্রসারণের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

যদিও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং তারা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার নীতি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছে বাস্তবে এই নীতি একটি নিষ্ফল প্রচেষ্টা। গাজার বাসিন্দারা সর্বদা তাদের ভূমিতে থাকার তাদের আইনি অধিকারের উপর জোর দিয়ে এসেছে এবং এই ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী জনমতও যেকোনো জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি নীতিকে মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী বলে মনে করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এর নিন্দা করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিষয়ে ঘোষণা করেছে: গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালার পরিপন্থী এবং ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এর বিপর্যয়কর পরিণতি হবে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছেন, গাজা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ফিলিস্তিনিদের তাদের ভূমিতে বসবাসের অধিকার রয়েছে; আমরা গাজার বাসিন্দাদের যেকোনো জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান করি এবং এটিকে জাতিগত নির্মূল বলে বিবেচনা করি।

অন্যদিকে, বিদেশীদের উপস্থিতিতে উপনিবেশবাদ এবং গৃহযুদ্ধের যুগের অভিজ্ঞতা অর্জনকারী অনেক আফ্রিকান দেশ এখন এই ধরনের নীতি গ্রহণ করতে রাজি নয়।

এই ক্ষেত্রে, ইসরায়েলের নীতি কেবল চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হবে না, বরং পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে মানবিক সংকট এবং অবিশ্বাসকে আরও গভীর করবে; অন্যদিকে এই ধরনের পরিকল্পনার মাধ্যমে আফ্রিকায় ইসরায়েলের প্রভাব সম্প্রসারণ কেবল কৃষ্ণাঙ্গ মহাদেশে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে এবং আফ্রিকার জটিলতা ও সমস্যাগুলোকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।

সূত্রঃ পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬