ইরান ও ইরাক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা রক্ষায় বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে একমত হয়ে নিরাপত্তা স্মারক স্বাক্ষরের ঘোষণা দিয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বাগদাদ সফরে গিয়ে বলেন, এই স্মারকের মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের নিরাপত্তায় যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ও বিঘ্ন রোধ করা এবং তেহরান-বাগদাদের সম্পর্কের স্থায়ী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
এদিকে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের হত্যায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেন,
“ইসরায়েল সাংবাদিকদের টার্গেট করছে—এটি কি শক্তির প্রমাণ, নাকি পতনের দ্বারপ্রান্তে থাকা এক ঘৃণিত শাসনের আতঙ্কের বহিঃপ্রকাশ?”
গাজার আল-শিফা হাসপাতালের কাছে সাংবাদিকদের তাঁবুতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় সাতজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আল জাজিরার দুইজনও আছেন।
গাজা সীমান্তে ব্যাপক সেনা সমাবেশের বিষয়টি আমেরিকান ম্যাগাজিন নিউজউইকের এক্সক্লুসিভ রিপোর্টে উঠে এসেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইসরায়েলি সেনা ও সামরিক সরঞ্জামের বড় সমাবেশ ঘটছে, যা নেতানিয়াহুর গাজা সম্পূর্ণ দখলের পরিকল্পনার অংশ। নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার অনুমোদিত এই পরিকল্পনা বিশ্বজুড়ে নিন্দা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সতর্কবার্তা কুড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি ও মানবিক বিপর্যয় রোধে আহ্বান জানিয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন তিউনিসিয়া, মরক্কো ও সুইডেনে তীব্র আকার নিয়েছে। তিউনিসিয়ার রাজধানীতে শত শত মানুষ গাজায় চলমান হামলা ও অবরোধের প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। মরক্কোতেও জনতা গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধ বন্ধে বিক্ষোভ করে। সুইডেনের স্টকহোমে মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে তেল আবিবের অমানবিক নীতির নিন্দা জানায় এবং গাজার মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে।
অন্যদিকে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সংঘাতের উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। দুই দেশ আরও ৯০ দিনের জন্য একে অপরের ওপর আরোপিত উচ্চশুল্ক স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক স্থগিতাদেশ ১০ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাড়ানোর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, তারা শুল্ক স্থগিত এবং কিছু অশুল্ক বাধা অপসারণে উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি মৌসুমী আমদানি স্থিতিশীল করবে এবং দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা কমাবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?