বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ইন্টারনেট বন্ধের পর বলেছিলেন ‘শেখ হাসিনা পালায় না’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে বাংলাদেশে দফায় দফায় ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে গত বছরের ১৮ই জুলাই প্রথম দফায় সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফিরতে শুরু করলেও বন্ধ রাখা হয় সামাজিক সব যোগাযোগমাধ্যম। ১০ দিন বন্ধ থাকার পর চালু […]

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ইন্টারনেট বন্ধের পর বলেছিলেন ‘শেখ হাসিনা পালায় না’

শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক

২৭ জুলাই ২০২৫, ১০:২৮

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে বাংলাদেশে দফায় দফায় ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে গত বছরের ১৮ই জুলাই প্রথম দফায় সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়, যার ফলে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফিরতে শুরু করলেও বন্ধ রাখা হয় সামাজিক সব যোগাযোগমাধ্যম। ১০ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হয় মোবাইল ইন্টারনেট। খবর বিবিসি বাংলার। কিন্তু ততদিনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যায়, যা পরবর্তীতে শেখ হাসিনার সরকারের পতনকে ত্বরান্বিত করে।

ইন্টারনেট বন্ধের এই ঘটনাটি এমন একটি সময় ঘটে, যখন আন্দোলন দমনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক বলপ্রয়োগ শুরু করে। আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও গুলির ঘটনায় বাড়তে থাকে হতাহতের সংখ্যা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরও হামলার জন্য দায়ী করা হয়।

দেশজুড়ে সহিংসতা ও প্রাণহানির মধ্যে ২১শে জুলাই বিকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেদিন এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, সেদিনও এক ডজনেরও বেশি মানুষ নিহত হন।

বৈঠকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন বলে সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর তৎকালীন প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান। কিন্তু ঠিক কী ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

‘শেখ হাসিনা পালায় না’

তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের পরদিন (২২ জুলাই) বিকালে দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় নিজের পালিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন খারিজ করে দিয়ে তৎকালীন সরকারপ্রধান বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালায় না’।

আন্দোলন চলাকালে সরকারি স্থাপনায় হামলা জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে এবার তাদের ‘সহজে ছাড় দেওয়া হবে না’ বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। অন্যদিকে শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি ‘পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন’ রয়েছে বলে সভায় জানান ব্যবসায়ী নেতারা। সংকটময় পরিস্থিতিতে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তারা শেখ হাসিনার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে ছাত্র আন্দোলনের মুখে গতবছরের পাঁচ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই ‘শেখ হাসিনা পালায় না’ বক্তব্যটি সোশ্যাল মিডিয়ার ঘুরপাক খাচ্ছে।

অন্যান্য খবর

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় […]

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

‘আমার কোনো দোষ নাই, আমি জানিও না জামায়াতের ওপর হামলা হয়েছে’: বিএনপি নেতা হাবিব

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৩

পাবনার ঈশ্বরদীতে পাবনা-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকদের দফায় দফায় হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ ব্যাপারে জানেনই না এবং তার কোনো দায় নেই।

তার দাবি, জামায়াতের নেতাকর্মীরাই তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। পরে তারা জনরোষের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে এক অডিও বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য ও দাবি করেন।


অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আমার এখানে কোনো দোষ ছিল? তারা ওখানে গিয়েছে। তারা গিয়ে আমাদের লোকদেরকে মারধর শুরু করেছে। মারধর শুরু করে আমাদের অনেক লোক আহত করেছে। আমাদের লোকজন তো একসাথে ছিল না। তারা ওখানে গিয়ে আমাদের লোকদের মারধর শুরু করছে। পরে ওই এলাকার সব লোক আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে। ধাওয়া করলে তখন গুলি করতে করতে তারা বের হয়ে আসে সেখান থেকে।

তিনি আরও বলেন, তারা বিভিন্ন দিক দিয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে। আর এখানে আমি জানিও না। আমার কোন দায় নাই। টোটালি মিথ্যা কথা। গাড়িতে কারা গুলি করেছে, গুলির ভিডিও ফুটেজ আছে। আমি তো যাইও নাই। জানিও না। তাহলে এখানে আমাকে দায়ী করাটা কোনো কারণ নেই।

অন্যান্য খবর

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন […]

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ।

সায়ের লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ‍্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় (১২ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের পিএস মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব, ফয়সাল করিম মাসুদকে এই ভারতীয় নম্বরটি জোগাড় করে দেন বলে বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।’

পোস্টে তিনি একটি নাম্বারও যোগ করেন (+৯১৬০০১৩৯৪০**)। তিনি লেখেন, ‘এই নম্বরটি ব্যবহার করে গতকাল রাতে কয়েকটি নম্বরে নিজেদের এই সেলফি পাঠান ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান।’

তার দাবি, ‘যে সকল নম্বরে এই ছবিটি পাঠানো হয় তার একটি ইন্টারসেপ্ট করে এই ছবিটি পাওয়া যায়, যা গতকাল ভারতের আসাম রাজ‍্যের গুয়াহাটিতে তোলা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, অত্যন্ত সংকটাপন্ন ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার পর থেকেই সারা দেশে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

অন্যান্য খবর

স্বরাষ্ট উপদেষ্টার সামনেই তার পদত্যাগ দাবি করলেন সাদিক কায়েম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বিষয় আপাতত গোপন রাখা প্রয়োজন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাকসু প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১১

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বিষয় আপাতত গোপন রাখা প্রয়োজন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাকসু প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমসহ অন্যান্য নেতারা।

বৈঠক চলাকালে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সামনেই তার পদত্যাগ দাবি করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার পরও জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতারই প্রতিফলন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের ছোট ভাই সাদিক কায়েমের প্রতিটি দাবি যৌক্তিক। এর আগেও আমরা আপনাদের সামনে বলেছি, এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপ আরও বেগবান করতে হবে।” তিনি আশ্বস্ত করেন, ডাকসু নেতাদের উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “ওসমান হাদি এখন গুরুতর অসুস্থ। তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন—এই কামনায় আমরা সবাই দোয়া করি।”

হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতরা বর্তমানে দেশে আছে নাকি পালিয়ে গেছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সবকিছু এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়।” তবে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

এদিকে বৈঠক শেষে ডাকসু নেতারা জানিয়েছেন, তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে তাদের দাবিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।