শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

খায়রুল হকের এক রায়েই ভেঙে পড়ে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের ঐতিহাসিক রায় দেন, সেদিনই তিনি ভবিষ্যতের এই পথ নিজেই তৈরি করেছিলেন

নিউজ ডেস্ক

২৪ জুলাই ২০২৫, ২৩:৫৭

সকালের আলো ফোটার আগেই ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে নাম লেখালেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে আসীন এই ব্যক্তি—যিনি একদিন নিজেকে তুলনা করতেন ব্রিটিশ বিচারপতি লর্ড ড্যানিংয়ের সঙ্গে, তিনিই আজ হাতে পড়লেন হাতকড়া। মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হলো তার জীবনের নতুন অধ্যায়—অভিযোগ, তদন্ত এবং বিচার।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই প্রথম, কোনো প্রধান বিচারপতিকে এমনভাবে গ্রেপ্তার করা হলো। কিন্তু প্রশ্ন একটাই—এই পরিণতি কি হঠাৎ? নাকি দীর্ঘদিনের জমে থাকা রাজনৈতিক প্রতারণার একটি স্বাভাবিক ফলাফল?

আসলে যেদিন খায়রুল হক বিচার বিভাগের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের ঐতিহাসিক রায় দেন, সেদিনই তিনি ভবিষ্যতের এই পথ নিজেই তৈরি করেছিলেন। সেই রায়ে সংক্ষিপ্তভাবে দুই দফা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুমোদন থাকলেও, ১৬ মাস পর প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে সেই অংশ ‘আদৌ ছিল কিনা’—সেটাই অস্বীকার করেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুশি করতেই এই রাজনৈতিক ফরমায়েশি সিদ্ধান্ত নেন।

এরপরই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা। বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে, রক্ত ঝরে রাজপথে, ধ্বংস হয় সম্পদ—আর সবকিছুর কেন্দ্রে ছিলেন এক ব্যক্তি: এবিএম খায়রুল হক।

তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার পতনের পুরস্কার হিসেবেই হয়তো তাকে বসানো হয় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে। কিন্তু এখানেও বিতর্ক তাকে ঘিরে রাখে সর্বক্ষণ। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি তাকে পাশ কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চাপ দিয়ে নিজের মেয়াদ বাড়িয়ে নেন।

একাধিক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ আত্মসাৎ থেকে শুরু করে প্লট কেলেঙ্কারি পর্যন্ত—সবই উঠে এসেছে সংবাদে, বইয়ে, সংসদে।

প্রয়াত নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের কলমে উঠে এসেছে এই বিচারপতির প্রকৃত রূপ: “বাংলাদেশের অস্থিতিশীল রাজনীতির স্থপতি একজন অরাজনৈতিক ব্যক্তি, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক।”

সেই ‘অরাজনৈতিক ব্যক্তি’ আজ রাজনীতির আগুনে পুড়ছেন। নিজেই যে পথ তৈরি করেছিলেন ক্ষমতার তুষ্টির জন্য, আজ সেই পথই তাকে নিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের কাঠগড়ায়। কোনো রাজা বা বিচারপতি আইনের ঊর্ধ্বে নয়—এই সত্যেরই যেন বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠলেন এবিএম খায়রুল হক।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৪৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৩