শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমানকে টার্গেট করে ভয়ংকর স্লোগান দেওয়া , রাজনীতিতে এটা খুবই এলার্মিং

বর্তমান সরকারের ছাত্র উপদেষ্টারা, বিশেষ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। একেবারেই এনসিপি ধাঁচে কথা বলছেন। মিটফোর্ডে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ট্যাটাস ছিল, "প্রস্তর যুগে স্বাগতম", “ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না”—যা প্রতিধ্বনিত করে বিএনপিকে আক্রমণের জামায়াতি ভাষা

নিউজ ডেস্ক

১৫ জুলাই ২০২৫, ১৪:৩৯

বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম না থাকলে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এত দিনে দেশের ঘাড়ে শতভাগ বসে যেত, এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ও বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান। তার স্পষ্ট মন্তব্য, আওয়ামী লীগ বছরের পর বছর ধরে যতভাবে চেষ্টা করেছে ভয় দেখিয়ে, লোভ দেখিয়ে—তবু বিএনপিকে ভাঙতে পারেনি, দমাতে পারেনি। বরং আজ সেই দলের নেত্রীকে টার্গেট করে ভয়াবহ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, যা এদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এক জাগ্রত বিপদের সংকেত।

ডা. জাহেদ বলছেন, ২০২৪-এর জুলাইয়ের আগে থেকেই বিএনপির ধারাবাহিক আন্দোলনের কারণে শেখ হাসিনার একনায়কতন্ত্র পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। কম্বোডিয়ার স্বৈরশাসক হুম সেনের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, তিনি বিরোধী দলকে গুঁড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন বলেই শতভাগ দখল কায়েম করতে পেরেছিলেন। বাংলাদেশে সেই পথ রুদ্ধ করেছে কেবল বিএনপি, যারা এখনও আওয়ামী লীগের দমননীতি, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে অবিচল।

সবচেয়ে আতঙ্কজনক বাস্তবতা হলো,

যে দলটা বছরের পর বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণকে জাগিয়ে রেখেছে, এখন তাদেরই আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এর পেছনে আছে এক গভীর ষড়যন্ত্র, এক চক্রান্ত। যারা বাংলাদেশকে স্থিতিশীল হতে দিতে চায় না, তারা সেই ষড়যন্ত্রে শরিক হয়েছে আর কেউ কেউ বুঝে হোক বা না বুঝে, সেই ফাঁদে পা দিচ্ছে।

সরকারি উপদেষ্টাদের ভূমিকা নিয়েও ডা. জাহেদ কড়া সমালোচনা করেছেন। তার মতে,

বর্তমান সরকারের ছাত্র উপদেষ্টারা—বিশেষ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া—একেবারেই এনসিপি ধাঁচে কথা বলছেন। মিটফোর্ডে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ট্যাটাস ছিল, “প্রস্তর যুগে স্বাগতম”, “ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না”—যা প্রতিধ্বনিত করে বিএনপিকে আক্রমণের জামায়াতি ভাষা। প্রশ্ন উঠছে—প্রস্তর যুগ যদি সত্যিই হয়, তবে সেটা কার শাসনের ফসল? এর দায় তো সরাসরি বর্তমান সরকারের ঘাড়েই পড়ে।

আরেকটা ভয়ঙ্কর বাস্তবতা হলো—

সরকার এক বছর ক্ষমতায় থেকেও নিজের ব্যর্থতা আড়াল করতে এখনও বিএনপির বিরুদ্ধে মিছিল করে বেড়াচ্ছে। অথচ এমন হত্যাকাণ্ডের পর মিছিল হওয়ার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র—সরকারের মধ্য থেকেই উপদেষ্টারা জামায়াতি স্টাইলে কথা বলছে, যাদের এনসিপি ঘনিষ্ঠতা দেশের সবাই জানে।

অর্থনীতি নিয়েও ডা. জাহেদের পর্যবেক্ষণ ছিল ভয়াবহ। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন নিলামে ডলার কিনছে বেশি দামে, অথচ বাজারে ডলারের দাম পড়ে যাচ্ছে। এটা অর্থনীতির সংকোচনের স্পষ্ট লক্ষণ। ডলারের চাহিদা কমে যাওয়া মানেই দেশের অর্থনীতি আর বাড়ছে না, বরং সংকুচিত হচ্ছে। এমন অবস্থায় রেমিট্যান্সও কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দাম ধরে রাখতে চাইলেও সেটার পেছনে বাস্তবতা নেই। ব্যবসায়ীরা আজ ধুঁকছে। তারা চান অবিলম্বে নির্বাচন হোক—কারণ এর বিকল্প তারা দেখছেন না।

তবে স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, দেশে এখন দুই-তিনটা সুবিধাভোগী রাজনৈতিক দল এবং কিছু গোষ্ঠী ছাড়া বাকি সবাই নির্বাচনের পক্ষে। ক্ষমতার দড়ি টানাটানির এই খেলা হয়তো কিছু বিশৃঙ্খলা আনবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হবেই—এটাই সময়ের দাবি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৪৫