বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি দোকান থেকে ৩০৪ বস্তা সরকারী চাল উদ্ধার

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : যৌথ বাহিনীর অভিযানে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ এর দোকান নাহার এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩০৪ বস্তা সরকারী চাল করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে কেন্দুয়া পৌরসভার মদন-কেন্দুয়া সড়কের বাদে আঠারবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার দোকান থেকে এসব সরকারী চাল জব্দ করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের কাছে চালের বস্তা গুলো হস্তান্তর করা হয়। তবে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ জুন ২০২৫, ১৯:৫৮

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

যৌথ বাহিনীর অভিযানে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ এর দোকান নাহার এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩০৪ বস্তা সরকারী চাল করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে কেন্দুয়া পৌরসভার মদন-কেন্দুয়া সড়কের বাদে আঠারবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার দোকান থেকে এসব সরকারী চাল জব্দ করেন।

পরে উপজেলা প্রশাসনের কাছে চালের বস্তা গুলো হস্তান্তর করা হয়। তবে খোকন আহমেদকে দোকানে না পাওয়ায় আটক করতে পারে নি যৌথবাহিনী। 

খোকন আহমেদ উপজেলার পৌরসভার বাদে আঠারবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি। একই সাথে তিনি পৌরসভার বাদে আঠারবাড়ী ব্লকের ওএমএস কর্মসূচির পরিবেশক। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও যৌথবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, নাহার এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকার খোকন আহমেদ পৌরসভার বাদে আঠারবাড়ী ব্লকের ওএমএস কর্মসূচির পরিবেশক। এছাড়াও তিনি বাদে আঠারবাড়ি এলাকা খুচরা ও পাইকারী চাল বিক্রয়ের ব্যবসাও করেন।

শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী ওই এলাকায় খোকনের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় যৌথবাহিনী তার দোকানে ৩০৪ বস্তা (১৩ হাজার ৫১৫কেজি) সরকারী চাল পায়।

যৌথবাহিনী এসব চাল উদ্ধার করে জব্দ তালিকা করে কেন্দুয়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে শনিবার এ প্রতিবেদন লিখার আগ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

কেন্দুয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত চালগুলো ছিল ডিলার রেশন (ডি.আর) কর্মসূচির আওতাভুক্ত। যা বিধি লঙ্ঘন করে একত্রে মজুদ রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন মিয়া মোবাইল ফোনে কয়েক দফা কল করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। 

নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, যৌথবাহিনী অভিযান করে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদের গুদাম থেকে সরকারী চাল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

উপজেলা প্রশাসন এগুলি যাচাই বাছাই করে সঠিক কাগজপত্র থাকলে তাকে ফেরত দিবে। তবে চাল অবৈধ হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারটি তিনি এড়িয়ে যান।

মদন সেনা বাহিনীর ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার নজরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন মিয়ার দোকানে অভিযান পরিচালনা করে ৩০৪ বস্তা সরকারী চাল পাওয়া যায়।

এসময় জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে খোকন মিয়াকে না পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা যায় নি। 

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদারকে একাধিকবার কল করা হলে ফোন রিসিভ করেন নি।

তবে কেন্দুয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত চালগুলো ছিল ডিলার রেশন (ডি.আর) কর্মসূচির আওতাভুক্ত। যা বিধি লঙ্ঘন করে একত্রে মজুদ রাখা হয়েছিল বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করে ৩০৪ বস্তা সরকারী চাল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

তবে ইউএনও মহোদয় যাচাই বাছাই করে দেখবেন। অবৈধ চাল হলে উপজেলা প্রশাসন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।