বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর বলেছেন, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তাহলেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো ব্যক্তির কাজ শেষ হয়ে যাবে না। তিনি দেশের স্বার্থে কাজ করে যেতে পারবেন।
হুমায়ুন কবীর বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন। তিনি দেশের স্বার্থে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে প্রস্তুত।” তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সকল রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে সংলাপ হওয়া জরুরি।
হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, দুই শীর্ষ নেতার বৈঠক হলে দেশের জন্য ভালো কিছু বের হয়ে আসতে পারে। তবে শুধু ফটোসেশন বা আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতে কোনো লাভ নেই, বাস্তব আলোচনায় কী থাকবে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, বিএনপি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায়। নির্বাচন পরিচালনা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় ড. ইউনূসের মতো দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তির অবদান গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, “যারা দেশের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান, দক্ষতা ও সদিচ্ছা রাখেন, তাদের জন্য বিএনপি সবসময় উন্মুক্ত। তারা দেশ-বিদেশ যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের আমরা কাজে লাগাতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি একদল চলে গেলে তাদের ওপর জুলুম-নিপীড়নের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। আমরা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই।”
সরকার ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবীর বলেন, “বর্তমান সরকারের মাঝেও নিশ্চয় ভালো ও দক্ষ মানুষ রয়েছেন। তারা ক্ষমতার বাইরে গেলেও তাদের হেনস্থা করা উচিত নয়। বরং যোগ্যতা অনুযায়ী সবাইকে দেশের কাজে লাগাতে হবে।”
তিনি বলেন, “যত বেশি খোলামেলা ও আন্তরিক সংলাপ হবে, ততই বোঝাপড়ার সুযোগ তৈরি হবে। যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে, তবে বর্তমান সমস্যাগুলোও সমাধান সম্ভব।”