গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, নির্বাচন যত পেছাবে, তত বেশি ষড়যন্ত্রের সুযোগ তৈরি হবে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দল ও ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন দেরিতে আয়োজনের পক্ষে, কারণ তারা মনে করে দেরি হলে দল গোছানোর সুযোগ পাবে।
২৫ মে (রোববার) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ১২ দলীয় জোটের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নুর বলেন, “নির্বাচন নিয়ে সংস্কারের পক্ষে কোনো দল বিরোধিতা করেনি। অযথা বিএনপির মতো বড় দলকে ভিলেন বানিয়ে কোনো লাভ নেই। বর্তমানে বিএনপির মতো সাংগঠনিক শক্তি আর কোনো দলের নেই। নির্বাচন হলে তারাই সরকার গঠন করবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “বিএনপির বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।”
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের প্রসঙ্গে নুর বলেন, “কোনো দলই সরাসরি তার পদত্যাগ দাবি করছে না। কিন্তু আমরা বলছি, বর্তমানে নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত যে সময়সীমা বলা হচ্ছে, সেটা একটি অস্পষ্ট রোডম্যাপ।” তিনি বলেন, “দেশে ঠিক কোন মাসে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে একটি স্পষ্ট ঘোষণা আসা দরকার, যাতে করে অনিশ্চয়তা দূর হয়।”
নুর আরও বলেন, দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ না হলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়বে এবং জনগণ অনিশ্চয়তায় ভুগবে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, দেশের স্বার্থে এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করতে।