সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিস্ফোরক মন্তব্য “জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সস্তা নাটক করছেন ড.ইউনূস”

ড. ইউনূস জানেন, সরাসরি কিছু বললে প্রতিক্রিয়া আসবে। তাই একদল ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টার মাধ্যমে তিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন। নাটকটি এমনভাবে সাজানো যেন মনে হয়—গণতন্ত্র, পরিবর্তন ও সংস্কার শুধুই তার সাথেই জড়িত

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৫, ১৬:০৪

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক পদত্যাগ–গুঞ্জন ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে সরব হয়েছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন, ড. ইউনূস একটি

“সস্তা নাটকের মাধ্যমে নিজের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চাইছেন” এবং পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতিকে ‘গণমানুষের আবেগ’ টেস্ট করার মাঠে পরিণত করেছেন।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের আলোচনায় রুমিন বলেন, ড. ইউনূস সরাসরি পদত্যাগের কথা না বললেও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের মাধ্যমে ‘পদত্যাগ বিবেচনায় থাকার’ বার্তা প্রচার করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কৃত্রিম আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তার ভাষায়,

“ড. ইউনূস জানেন, সরাসরি কিছু বললে প্রতিক্রিয়া আসবে। তাই একদল ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টার মাধ্যমে তিনি বার্তা পাঠাচ্ছেন। নাটকটি এমনভাবে সাজানো যেন মনে হয়—গণতন্ত্র, পরিবর্তন ও সংস্কার শুধুই তার সাথেই জড়িত।”

রুমিন ফারহানার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলো গত নয় মাসে ড. ইউনূসের সাথে সাক্ষাৎ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে, অথচ এনসিপি-র মতো নতুন একটি রাজনৈতিক দল ও তার নেতারা নিয়মিত বৈঠক করার সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি বলেন,

“নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আবদুল্লাহ—সবাই এক টেবিলে বসে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে অংশ নিচ্ছেন, অথচ নির্বাচনে পরাজিত কিংবা এখনো নিবন্ধনহীন বিএনপি-জামায়াত নেতাদের কোনো আমন্ত্রণ নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন,

“গত নয় মাসে প্রতিটি খাতে ব্যর্থতা—রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন না হওয়া, প্রশাসনিক স্থবিরতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা—সবকিছুর দায় ইউনূস প্রশাসনের। তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেননি। বরং নানা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিরোধী দলগুলোকে বঞ্চিত করেছেন, সেনাবাহিনীর অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, এমনকি রাষ্ট্রের শৃঙ্খলাকারী বাহিনীগুলোকে বিতর্কে ঠেলে দিয়েছেন।”

তিনি বলেন,

“এই সরকারের ছাত্রসংগঠন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি সেনাপ্রধানকে নিয়ে যেভাবে অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছে, তা নজিরবিহীন। দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনকারী একজন সেনাপ্রধান এই অসম্মান সহ্য করেছেন। এটা তার ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক হলেও, যারা এমন করেছে—তাদের উৎসাহ কোথা থেকে এসেছে, সেটাও ভাবার সময় এসেছে।”

সবশেষে রুমিন বলেন,

“বৃহস্পতিবার রাতে নাটকীয়ভাবে ‘পদত্যাগ বিবেচনায় আছি’ বলা হলো, আর শুক্রবার বায়তুল মোকাররমে মিছিল—সবই এক পরিকল্পনার অংশ। যেন মনে হয়, কেউ না থাকলে দেশ চলবে না। এটা কেবল একটি চেয়ারকে অনন্য করে দেখানোর চেষ্টা। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে, রাজনীতিতে চেয়ারের অভাব নেই—জনগণের আস্থার অভাবই আসল সংকট।”

এই বক্তব্য বিএনপির ভেতরের হতাশা, রাজনৈতিক ক্ষোভ এবং ড. ইউনূসের নেতৃত্বে সংশয়ের প্রকাশ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। একইসাথে, এর মধ্য দিয়ে বিএনপি মূলত প্রধান উপদেষ্টার উপর রাজনৈতিক চাপ বজায় রাখতে চাচ্ছে, যাতে নির্বাচনী রোডম্যাপ ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ দ্রুত স্পষ্ট হয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৪৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৪৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৭৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৪৪