বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

৬ মাস ধরে নারীকে ঘরে আটকে ধর্ষণ, নোবেলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ এবং গ্রেফতার

বিতর্কিত গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল এবার এক তরুণীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, অভিযোগ রয়েছে তিনি ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে আটকে রেখেছিলেন এবং একাধিকবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণীকে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন […]

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৫, ১৭:০৭

বিতর্কিত গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল এবার এক তরুণীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, অভিযোগ রয়েছে তিনি ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে আটকে রেখেছিলেন এবং একাধিকবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণীকে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন একজন ব্যক্তি, যিনি পরবর্তীতে নোবেল হিসেবে শনাক্ত হন। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরপরই বিষয়টি জনসচেতনতায় আসে এবং পরিবার জাতীয় জরুরি সেবায় (৯৯৯) কল করে।

পুলিশ জানায়, সোমবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণীকে রাজধানীর ডেমরা থানার স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর রাত ২টার দিকে অভিযুক্ত নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে সামাজিক মাধ্যমে নোবেলের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর মোহাম্মদপুরে দেখা করার কথা বলে নোবেল তরুণীকে ডেমরার একটি বাসায় নিয়ে যান, যেখানে তাকে জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয় এবং তাকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এমনকি ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ আছে।

ঘটনার বিষয়ে ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন বলেন,

“নোবেল দাবি করেছেন, ওই তরুণী তার স্ত্রী এবং মৌখিকভাবে বিয়ে করেছেন। কিন্তু তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।”

পরিদর্শক আরও জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর জবানবন্দি ও ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

এই ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক, আর নোবেলের পক্ষে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী জসিম উদ্দিন। বিচারক জিয়া উদ্দিন আহমেদ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, নোবেল এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। ২০২৩ সালে অগ্রিম টাকা নিয়ে গানে না যাওয়া, স্ত্রীর ওপর নির্যাতন, মাদকাসক্তি এবং মঞ্চে অসংলগ্ন আচরণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। এমনকি ওই বছরের ২৬ এপ্রিল কুড়িগ্রামে এক অনুষ্ঠানে দর্শক ক্ষুব্ধ হয়ে তার দিকে জুতা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করলে পুরো অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।

ভারতের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-এর মাধ্যমে আলোচনায় আসা এই শিল্পী সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কনসার্ট ও টিভি অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিচ্ছিলেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তবে নতুন করে এ ঘটনায় নোবেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ায় আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন তিনি।

এই ঘটনায় সমাজ, সংস্কৃতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠছে। একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে তার দায়বদ্ধতা, নৈতিকতা এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান কতটা ছিল—তা এখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হবে।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিনোদন

“তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন, খালেদা জিয়া আপনি জিতে গেলেন আসলে” : পরীমনি

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে লেখেন, “তিনি চলে গেলেন..! তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন। তিনি এভাবেই […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০২

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে লেখেন, “তিনি চলে গেলেন..! তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন। তিনি এভাবেই থেকে গেলেন এই মানচিত্রে। খালেদা জিয়া আপনি জিতে গেলেন আসলে…।”

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।

গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।