[মো: মোকলেছুর রহমান, সৌদি আরব ]
এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং সৌদি আরবের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করা।
ট্রাম্পের সফরের সময় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, গাজা যুদ্ধের অবসান এবং তেলমূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
যদিও সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চলছে, গাজা যুদ্ধের কারণে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে। সৌদি সরকার গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অনিচ্ছুক।
ট্রাম্পের সফরের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বড় আকারের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ৪ বছরে ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই সফরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্বালানি এবং প্রতিরক্ষা খাতে চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।
সফরের আগে ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে কাতার তাঁকে একটি বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমান উপহার দেবে, যা ভবিষ্যতে “এয়ার ফোর্স ওয়ান” হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
এই উপহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, কারণ এটি ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থের মধ্যে সংঘাতের ইঙ্গিত দিতে পারে।
সফরের পরবর্তী পরিকল্পনা
রিয়াদ সফর শেষে ট্রাম্প কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবেন, যেখানে তিনি কাতারের আমির এবং আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই সফরে তিনি গাল্ফ সহযোগিতা পরিষদের শীর্ষ সম্মেলনেও অংশ নেবেন।
এই সফর ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?