মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

খাবারের মানোন্নয়ন ও ভর্তুকি বৃদ্ধির দাবিতে জাবি শিক্ষার্থীদের ৫ দফা স্মারকলিপি

জাবি প্রতিনিধি:   জাবিতে ক্যাফেটারিয়ার খাবারের মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি। আজ ( মঙ্গলবার) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও যৌক্তিক ৫ দফা দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  এসময় শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ার মানোন্নয়ন, ভর্তুকি বৃদ্ধি, খাবারের বৈচিত্র্য ও শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্য নির্ধারণ, সকাল […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ মে ২০২৫, ১৮:২৫

জাবি প্রতিনিধি:  

জাবিতে ক্যাফেটারিয়ার খাবারের মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি।

আজ ( মঙ্গলবার) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও যৌক্তিক ৫ দফা দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

এসময় শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ার মানোন্নয়ন, ভর্তুকি বৃদ্ধি, খাবারের বৈচিত্র্য ও শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্য নির্ধারণ, সকাল ৮ টা হতে রাত ৮ টা অব্দি ক্যাফেটেরিয়া খোলা রাখা, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চার বার খাবার ( সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকেল

ও সন্ধ্যার নাস্তা) ব্যবস্থা, রান্নাঘর এবং ক্যাফেটেরিয়ার সম্পূর্ণ পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

পাঁচ দফা দাবিসমূহ হলো: 

১. খাবারের মান উন্নয়ন ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা।

২. ভর্তুকির পরিমাণ বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের মূল্য শিক্ষার্থীবান্ধব রাখা।

৩. ক্যাফেটারিয়ার কার্যক্রম সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু রাখা।

৪. প্রতিদিন চারবার (নাশতা, দুপুর, বিকাল, রাতের খাবার) নিয়মিত ও বৈচিত্র্যময় খাবার পরিবেশন করা।

৫. রান্নাঘর এবং ক্যাফেটারিয়ার সম্পূর্ণ পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদানের ব্যাপারে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫০ ব্যাচের শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন আয়ান বলেন ” বর্তমানে ক্যাফেটারিয়ায় পরিবেশিত খাবারের মান, পরিমাণ ও মূল্য শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন

ও আর্থিক সক্ষমতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়াও, রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় ঘাটতি রয়েছে। গতকাল ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে বিষাক্ত পোকা পাওয়া গিয়েছে। খাবারের দাম অনেক বেশি এবং আইটেমও অনেক কম।

ক্যাফেটেরিয়ার এই বেহাল দশা কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতিনিয়ত উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। এসব সমস্যা শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অতিদ্রুত এই সমস্যা সমাধানে জাবি প্রশাসনকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।” 

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ৪৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাসিম আল তারিক বলেন “গতকাল ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারে যে বিষাক্ত পোকা পাওয়া গিয়েছে এটি নিত্যনতুন কোনো ঘটনা নয়, প্রতিনিয়ত এসব ঘটনা ঘটছে। 

এর আগেও ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারে বিষাক্ত পোকা পাওয়া এবং রান্নাঘরের অপরিচ্ছন্নতা পরিবেশ লক্ষ্য করা গিয়েছে। রান্নাঘরে রেফ্রিজারেটরে খাবার থেকে পঁচা গন্ধ বের হয়েছে।

আমরা চাই এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত করে অতিদ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করুক এবং ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশ ও খাবারের মান উন্নত করুক।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৫৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহি বলেন “আমরা চাই এমন একটি ক্যাফেটেরিয়া, যেখানে খাবার শুধু সস্তা নয়, মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করা হবে।

যেখানে সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চালু থেকে সারাদিনে ৪ বেলা বৈচিত্র্যময় খাবার সরবরাহ করতে হবে নিয়মিতভাবে এবং পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিয়মিত তদারকিই পারে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আমাদের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে।

শিক্ষাঙ্গন

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ডাকসু থেকে পদত্যাগ করলেন সর্বমিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলতে যাওয়া প্রায় ২৫–৩০ জন কিশোর-তরুণকে কানে ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-২ নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলতে যাওয়া প্রায় ২৫–৩০ জন কিশোর-তরুণকে কানে ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-২ নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছেন সর্বমিত্র নিজেই। এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জিমনেসিয়ামে শিক্ষার্থীদের কান ধরে ওঠবস করানোর জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন।

পোস্টে সর্বমিত্র লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে , মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তিনি বলেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তার অভিযোগ, বহিরাগতরা নিয়মিতভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশের দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তাদের একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা তা অগ্রাহ্য করেছে। নিষেধ করতে গেলে তারা উল্টো স্টাফদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়—যা একটি চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা বারবার অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান না আসায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ক্রমেই বাড়তে থাকে।

প্রশাসনিক ব্যর্থতা উল্লেখ করে সর্বমিত্র বলেন, এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে উঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি—এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

সর্বশেষ পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একই সাথে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ হতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত , কারো প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন , আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে, আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

শিক্ষাঙ্গন

ভাষা শহিদদের প্রতি সাদিক কায়েম-ফরহাদদের শ্রদ্ধা, ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমার ক্ষোভ

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) বিটিভির সৌজন্যে পাওয়া শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের লাইভ অনুষ্ঠানের একটি স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করেন সর্ব মিত্র। ওই পোস্টে তিনি ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন, ‘হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা and others আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলোতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!’ রাত ১২টা […]

ভাষা শহিদদের প্রতি সাদিক কায়েম-ফরহাদদের শ্রদ্ধা, ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমার ক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) বিটিভির সৌজন্যে পাওয়া শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের লাইভ অনুষ্ঠানের একটি স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করেন সর্ব মিত্র।

ওই পোস্টে তিনি ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন, ‘হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা and others আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলোতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!’

রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে দেয়া পোস্টটিতে এক ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজারের মতো রিঅ্যাকশন পড়েছে। আর কমেন্ট করা হয়েছে দুইশ’র বেশি। এসব কমেন্টে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের সমালোচনা করেছেন। বিষয়টিকে ডাকসু সদস্যদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল হিসেবে দেখছেন কমেন্টকারীরা।

সর্ব মিত্রের স্ক্রিনশটটিতে দেখা যায় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ ছাড়াও আরও কয়েকজন মিলে শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শিক্ষাঙ্গন

হাদিকে জংলি আখ্যা দেওয়া ইবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি ছাত্রীদের

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ‘জংলি’ বলে কটূক্তি করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার […]

হাদিকে জংলি আখ্যা দেওয়া ইবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি ছাত্রীদের

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:০৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ‘জংলি’ বলে কটূক্তি করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যাপক আলতাফ হোসেন শরিফ ওসমান হাদিকে কটূক্তিমূলকভাবে ‘জংলি’ আখ্যা দেন।

ওই পোস্টে তিনি রাজনৈতিক সহিংসতা ও গণমাধ্যমে হামলার ঘটনাগুলোর সঙ্গে হাদির নাম জড়িয়ে মন্তব্য করেন, যা শিক্ষার্থীদের মতে চরম অবমাননাকর ও উসকানিমূলক।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এতে লেখা ছিল—‘হাদিকে যিনি জংলি বলেন, তিনি নিজেই জঞ্জাল’, ‘আপনি জংলি কাকে বলেন? জুলাই যোদ্ধাকে?’, ‘হাদি ভাইয়ের মতো আমরা সবাই জংলি, এই জঙ্গলে আমরা এমন শিক্ষক চাই না’—ইত্যাদি।

এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের স্থায়ী বহিষ্কার নিশ্চিত করা, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শিক্ষকদের অপতৎপরতা বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা,

ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং শহীদ আবরার ফাহাদ ও শহীদ ওসমান হাদির নামে হল বা স্থাপনার নামকরণ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা একজন বিপ্লবীকে ‘জংলি’ বলা শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং দেশের জন্য আত্মত্যাগ ও জাতির সম্মানকে অপমান করার শামিল। তারা দাবি করেন, যিনি জাতির বিবেক গঠনের দায়িত্বে আছেন, তাঁর কাছ থেকে এমন ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এসব ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ক্যাম্পাসে আবারও ফ্যাসিবাদী মানসিকতা মাথাচাড়া দিতে পারে।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেন বর্তমানে স্কটল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।