সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নীলফামারীতে চায়নার ১০০০ শয্যা বিশিস্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার নিশ্চিতকরণের দাবিতে মানববন্ধন

চীনা সরকারের উপহার হিসেবে ঘোষিত ১০০০ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতালটি নীলফামারী সদরে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলার সর্বস্তরের ছাত্র জনতা। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ঘন্টাব্যপি ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আল মাসুদ চৌধুরী, জেলা জামায়তের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:৫৬

চীনা সরকারের উপহার হিসেবে ঘোষিত ১০০০ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতালটি নীলফামারী সদরে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলার সর্বস্তরের ছাত্র জনতা।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ঘন্টাব্যপি ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আল মাসুদ চৌধুরী, জেলা জামায়তের নায়েবে আমির ড. খায়রুল আনাম, জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি ও জেলা জামায়তের এসিস্টেন্ড সেক্রেটারী এ্যাডভোকে আল ফারুক আব্দুল লতিফ, শহর শাখার সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান আজাদ

কর্ম পরিসদ সদস্য মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পায়েলুজ্জামান রক্সি, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব অলিউর রহমান হেলাল, নাগরিক কমিটির অন্যতম প্রতিনিধি আকতারুজ্জামান খান প্রমুখ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কতৃক নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুরের মাঝামাঝি অঞ্চলের সম্ভব্য স্থান বিবেচনায় রয়েছে। বক্তরা বলেন, নীলফামারী সদরে দারোয়ানী সুতাকল এলাকায় ৫৩ একর সরকারী খাস জমি রয়েছে। জায়গাটি দির্ঘদিন ধরে পড়ে আছে, সরকারের কাজে আসছে না। তাই এখানে ১০০০ শয্যার হাসপাতালটি স্থাপনের দাবি জানানো হয়। 

মানববন্ধনে ড, খায়রুল আনাম বলেন, জেলা শহরের অদূরে দারোয়ানী সুতাকল (টেক্সটাইল মিল) নামক স্থানে প্রায় ৫৩ একর জমি খাস রয়েছে। এই জমিতে হাসপাতালের পাশাপাশি নার্সিং ইনস্টিটিউট, মেডিকেল কলেজ, রিসার্চ সেন্টার, হেলিপ্যাড ও অ্যাম্বুলেন্স লেন স্থাপন করা সম্ভব। জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন না হওয়ায় এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, দেশের ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকেও জেলা সদর অত্যন্ত সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত। এখানে রয়েছে রেলওয়ে স্টেশন, সৈয়দপুর বিমান বন্দর, উত্তরা ইপিজেড, রেলওয়ে কারখানা ও চিলাহাটি স্থল বন্দর। এছাড়াও বাংলাদেশ ভারত, ভূটান, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল ও মালদ্বীপ যাতায়তে ব্যাপক সুবিধা রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারাও অতি সহজে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।

নীলফামারী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আল মাসুদ চৌধুরী সদরে টেক্সটাইলমিলের কাছে হাসপাতাল নির্মাণের সম্ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়ে তার বক্তব্যে বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ বহুদিন ধরে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত।

জটিল রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ করে কার্ডিওলজি (হৃদ রোগ) রোগে রংপুর বা ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা করানো অধিকাংশ মানুষের পক্ষে কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। রংপুর কিম্বা ঢাকায় যাওয়ার পথে এধরণের রোগির অকাল মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে চীন সরকারের দেওয়া ১০০০ শয্যার হাসপাতালটি নীলফামারী জেলার মানুষের জন্য আশার আলো ছড়াচ্ছে।

এ্যাডভোকে আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, নীলফামারী, ঠাঁকুরগাউ, লালমনিরহাট, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামের সংযোগস্থল হওয়ায় এ এলাকায় একটি হাসপাতাল স্থাপিত হলে পাঁচ জেলার লাখ লাখ মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেয়া সম্ভব হবে। ফলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা গ্রহণে তুলনামূলকভাবে কম দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে, যা সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পেতে সহজ হবে।

মানববন্ধনে সচেতন নাগরিক সমাজ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা একযোগে এ হাসপাতালটি নীলফামারীতে স্থাপনের জোড় দাবি জানিয়েছেন।

তারা বলছেন, জেলার ভৌগোলিক অবস্থান ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার নিকটবর্তী হওয়ায় এখানে হাসপাতালটি স্থাপন করা হলে শুধু নীলফামারী নয়, পার্শ্ববর্তী জেলা ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভূটান, বার্মা ও মালদ্বীপসহ অন্যান্য দেশের মানুষও সহজে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।