শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আমতলীতে শিক্ষক ও ছাত্রকে মারধর করলেন আ.লীগ নেতা

রাশিমুল হক রিমন, আমতলী প্রতিনিধিঃ শিক্ষক হামিদুর রহমান ও ছাত্র আশিক গাজীকে শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জাহাঙ্গির হাওলাদার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন ছাত্র রাকিব ও শিক্ষকরা। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আওয়ামীলীগ নেতাকে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ আটক করেছে। রাতভর নাটকীয়তার পর বুধবার বিকেলে পুলিশ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ২২:৫৪

রাশিমুল হক রিমন, আমতলী প্রতিনিধিঃ

শিক্ষক হামিদুর রহমান ও ছাত্র আশিক গাজীকে শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ জাহাঙ্গির হাওলাদার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন ছাত্র রাকিব ও শিক্ষকরা।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আওয়ামীলীগ নেতাকে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ আটক করেছে। রাতভর নাটকীয়তার পর বুধবার বিকেলে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছেন।

এ ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার উত্তর সোনাখালী স্কুল এন্ড কলেজে মঙ্গলবার বিকেলে। 

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কমিটির সদস্য মোঃ জাহাঙ্গির হাওলাদারের ভাইয়ের ছেলে মোঃ রাকিব উত্তর সোনাখালী স্কুল এন্ড কলেজে দশম শ্রেনীতে লেখাপড়া করে।

মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির আগে একই শ্রেনীর ছাত্র রাকিব ও আশিক গাজীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে আওয়ামীলীগ নেতা বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষে ঢুকে আশিক গাজীকে মারধর করে। ওই সময় শিক্ষক হামিদুর রহমান প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করেছে।

শিক্ষক ও ছাত্রকে মারধর করে আওয়ামীলীগ নেতা বীর দর্পে বিদ্যালয় থেকে চলে যায়। পরে বিদ্যালয় শিক্ষকরা ছাত্র ও শিক্ষককে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

খবর পেয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম ওই আওয়ামীলীগ নেতাকে আটক করতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে আশিকের বাবা বাবুল গাজী থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়।

রাতভর নাটকীয়তার পরে বুধবার দুপুরে পুলিশ জাহাঙ্গির হাওলাদারকে ছেড়ে দিয়েছে। এ ঘটনার বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা আওয়ামীলীগ নেতাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবী করেছেন।

শিক্ষক হামিদুর রহমানের বাড়ী শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কালিনগর গ্রামে। অভিযোগ রয়েছে শিক্ষক হামিদুর রহমানকে মামলা না করতে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।

উল্লেখ গত এক বছর আগে মেহেদী হাসান নামের এক ছাত্রীকে আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গির মারধর করে কচুরীপানার মধ্যে ফেলে রাখে। ওই ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে। এ মামলায় তিনি বেশ কয়েকদিন জেল হাজতে ছিলেন।  

ছাত্র আশিক গাজী বলেন, শ্রেনী কক্ষে পড়া নিয়ে রাকিবের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় রাকিবের চাচা জাহাঙ্গির হাওলাদার এসে শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করে আমাকে মারধর করে। হামিদুর রহমান স্যার এর প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করেছে। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবী করছি।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ফারুক হোসেন মৃধা বলেন, বিদ্যালয় শিক্ষক, ছাত্রকে মারধর করবে তা মেনে নেয়া যায়না। এ ঘটনায় কঠোর শাস্তি দাবী করছি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হামিদুর রহমান বলেন. শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করে ছাত্র আশিক গাজীকে আওয়ামীলীগ নেতা মারধর করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে আমাকেও মারধর করেছে। তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ী অনেক দুরে।

আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নিবেন। এখানে আমার কিছুই করার নেই। আমি এর বাইরে কিছুই বলতে রাজি না। 

আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গির হাওলাদার বলেন, বিষয়টির সমাধান হয়ে গেছে। কিভাবে সমাধান হলো এমন প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি? 

বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউসুফ আলী বলেন, ছাত্র অপরাধ করলে আমার কাছে বিচার দিতে পারতো কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গির হাওলাদার শ্রেনী কক্ষে প্রবেশ করে ছাত্র ও শিক্ষককে মারধর করেছে। এ ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, আহত শিক্ষককের মাথায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, উভয় পক্ষ আপোষ মিমাংসাপত্র দেওয়ায় জাহাঙ্গির হাওলাদার ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ছাত্র ও শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।