সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী

আমার সেই পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরিকে অসম্মান করা ছিল না। বরং যারা আশিক চৌধুরিকে তার কাজের চেয়েও বেশি কিছু করে দেখছেন, তাকে মহাপুরুষ বানাচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছিল বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়্যারম্যান আশিক চৌধুরীকে নিয়ে সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর সমালোচনায় পড়েন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আলম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে […]

আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:১৭

আমার সেই পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরিকে অসম্মান করা ছিল না। বরং যারা আশিক চৌধুরিকে তার কাজের চেয়েও বেশি কিছু করে দেখছেন, তাকে মহাপুরুষ বানাচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছিল

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়্যারম্যান আশিক চৌধুরীকে নিয়ে সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর সমালোচনায় পড়েন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আলম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলে বিভিন্ন আলোচনা।

অবশেষে ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে যারা আহত হয়েছেন তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মানসুরা আলম।

প্রায় ১৪ ঘণ্টা ডিজেবল ছিল তার ফেসবুক আইডি।

স্ট্যাটাসে আশিক চৌধুরীকে অসম্মান করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না বলে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নতুন আরেক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেছেন।

ওই পোস্টে মানসুরা আলম বলেন, প্রথমত, এপোলজি দিয়ে শুরু করতে চাই, যারা আমার একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আহত হয়েছেন। গত ১৪ ঘণ্টা আইডিটি ডিজেবল থাকায় সেটা আমি করে উঠতে পারিনি।

তিনি বলেন, ড. ইউনূস সরকার বা তার পরিচালিত কোনো কাজকেই আজ পর্যন্ত একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি তাচ্ছিল্য করিনি বরং অ্যাপ্রিশিয়েট করেছি বারবার। আমার বিগত অনেক অ্যাপ্রিসিয়েশন পোস্ট আপনারা দেখেছেন আশা করি।

এই দেশে কেউ কাজ করতে আসবেন, দেশের হয়ে কাজ করবেন- এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের ব্যাপার। বিশেষ করে আমরা যারা এত বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বাংলাদেশের জন্য।

আশিক চৌধুরি বা বিনিয়োগ সম্মেলনের মতো প্রজেক্ট নিয়ে আমার ন্যূনতম কোনো সমালোচনার জায়গা নেই। বরং অ্যাপ্রিসিয়েশনের জায়গা অনেক বড়।

পূর্বের পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরীকে তাচ্ছিল্য করা নয় দাবি করে তিনি বলেন, আমার সেই পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরিকে অসম্মান করা ছিল না। বরং যারা আশিক চৌধুরিকে তার কাজের চেয়েও বেশি কিছু করে দেখছেন, তাকে মহাপুরুষ বানাচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছিল।

আমি নিশ্চিত, আশিক চৌধুরি নিজেও তেমন কিছু দেখতে চান না, তিনিও তার নিজের কাজ করে যেতে চান।

ছাত্রদলের এই নেত্রী আরো বলেন, আমরা একটা সময় সুলাইমান সুখন, আরো বিভিন্ন তথাকথিত স্মার্ট ফিগার দেখেছি ফ্যাসিস্ট আমলে। মাশরাফি, সাকিবদের নিয়ে গালভরা গল্প দেখেছি। শেষে তাদের অবস্থা কি আমরা জানি।

আমাদের মনে একটা ভয় থেকে যায়, যখন কাউকে হঠাৎ ফিগার বানাতে দেখি। আমরা এর সাফারার।

আশিক চৌধুরিসহ যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে কাজ করে যেতে চান, তাদের জন্য আমাদের শুভকামনা সব সময়। সেই সঙ্গে আশিক চৌধুরিদের ইমেজ বিল্ড করতে গিয়ে তাকে তার কাজের চেয়েও বেশি কেউ বানাবে না, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের দেশে সেটাও আমাদের প্রত্যাশা।

সঙ্গে বাকস্বাধীনতা (কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বাদে) চর্চার জন্য তার সোশ্যাল লাইফে হামলে পড়াও আমার লড়াই করা ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের স্বপ্নে ছিল না। আমার বিরুদ্ধে আসা বেশির ভাগ সমালোচনা আমি দেখি না অথবা এড়িয়ে যাই। এমনকি ভয়ানক মিথ্যাচার ও তথ্যবিকৃতিও।

সবশেষে তিনি বলেন, আমার দায় ছিল শুধু আশিক চৌধুরির ব্যাপারে। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যাচার, এডিটেড ছবি, স্ক্রিনশট- কোনো কিছু নিয়ে আমার জবাবের দায় নেই। ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব আমি দেব না।

সেসব দায় তাদের, যারা এই ঘৃণ্য বাকস্বাধীনতা চর্চা করে অন্যের স্বাধীনতা ও ত্যাগকে অস্বীকার করছেন। আপনাদের সুস্থতা কামনা করি। নিজের পরিবারের প্রতি মনোযোগ দেন। মানুষকে মানুষ মনে করেন। কেউ সমালোচনা করলেই তাকে ব্যক্তি আক্রমণ করতে হয় না, এটাও পারিবারিক শিক্ষা।

সোশ্যাল মিডিয়া

হাসনাতকে মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করার পরামর্শ : ভারতীয় সাবেক কর্ণেল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৩৯

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে পরবর্তী টার্গেট হিসেবে উল্লেখ করে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকিসংক্রান্ত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে ভারতের সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়না দাবি করেন, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির পরবর্তী টার্গেট হতে পারেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। পোস্টে তিনি কোথায় গুলি করা উচিত—সে সম্পর্কেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই বক্তব্যে বলা হয়, “মাথায় নয়, ঘাড়ে গুলি করতে হবে। প্রথমে তাকে নিশ্চুপ করতে হবে।” এমন মন্তব্যকে অনেকেই সরাসরি মৃত্যুহুমকি হিসেবে দেখছেন।

পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশের একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মিডিয়া হ্যান্ডলার দাবি করেন, এটি কোনো সাধারণ মতামত নয়; বরং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি। কেউ কেউ ইনকিলাব মঞ্চের নেতা হাদির ওপর সাম্প্রতিক হামলার সঙ্গেও এই বক্তব্যের সম্ভাব্য যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—একজন সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকের এমন বক্তব্যের দায় ভারতীয় কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মহল এড়াতে পারে কি না। বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সংবেদনশীলতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে কর্ণেল (অব.) অজয় কে রায়নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টিকে তুচ্ছ আখ্যা দিয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট নিয়ে অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে ‘বাড়াবাড়ি না করার’ পরামর্শ দেন, নতুবা উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

আমি দরকার হলে জামায়াতের সাথে কথা বলবো, যেন হাদির আসনে কোন প্রার্থী না দেয় : ইলিয়াস হোসেন

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা ও প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে। ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৪১

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা ও প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে।

ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন জানান, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক কায়েমের নাম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসার পর ওসমান হাদি তাকে স্বাগত জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টটি করার পর হাদি কেন জানি পোস্টের লিংক তাকে পাঠান। ইলিয়াসের ভাষ্য অনুযায়ী, এতে হয়তো হাদি বোঝাতে চেয়েছিলেন—সাদিক কায়েমের মতো শক্তিশালী প্রার্থীর বিপরীতে যেন জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়।

ইলিয়াস হোসেন লেখেন, কোনো কিছু জিজ্ঞেস না করেই তিনি হাদিকে রিপ্লাই দিয়েছিলেন যে, তিনি জামায়াতের সঙ্গে কথা বলবেন, যাতে হাদির আসনে জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়। ওই বার্তায় হাদি একটি লাভ রিঅ্যাক্ট দেন। ইলিয়াস জানান, ডিসেম্বরের ৬ তারিখে সেটিই ছিল তাদের শেষ যোগাযোগ।

পোস্টের শেষ অংশে ইলিয়াস হোসেন আবেগঘন ভাষায় লেখেন, “হাদি, ভাই আমার—আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবো ভাই, তবে তোকে কিন্তু ফিরে আসতে হবে। প্লিজ ভাই, তুই আবার আগের মতো ফোন করবি, টেক্সট করবি, আবদার করবি, প্রোগ্রামের সূচি পাঠাবি—আমি আমার পেইজে শেয়ার দেবো ইনশাআল্লাহ।”

ইলিয়াস হোসেনের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি। আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি […]

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৭

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি ‘না’ ভোট দেব? বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমি অনলাইনে সক্রিয় থাকতে পারি না। আপনারা যেহেতু প্রচুর সংখ্যক মানুষ মেসেজ দিয়েছেন, তাই আমি ভিডিও বার্তায় তার উত্তর দিচ্ছি। আমার উত্তর হচ্ছে, জুলাই সনদে আমি ‘না’ ভোট দেব।

কেন ‘না’ ভোট দেবেন, কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে’ যোগ দেবে। ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ জিনিসটা কী? জুলাইয়ে আমরা যে আন্দোলন করেছি তার সঙ্গে এর সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?

‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপের’ কার্যক্রম প্রসঙ্গে আসিফ মাহতাব উৎস বলেন, ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ হচ্ছে ‘এলজিবিটিকিউ রাইটস’-এর পক্ষে কাজ করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে এলজিবিটিকিউ রাইটস বাস্তবায়ন করা হবে। সুতরাং জুলাই সনদ পাস হলে তারা বলবে, এটা তো পাস হয়ে গেছে, আপনাকে এখন এলজিবিটিকিউ বাস্তবায়ন করতে হবে।

আসিফ মাহতাব বলেন, আমি তো ওপেন সোসাইটির জন্য সংগ্রাম করিনি, আপনিও করেননি। কিন্তু আপনাকে ভোট দেওয়ানো হবে এবং ভোট দেওয়ানোর পরে এগুলো (এলজিবিটিকিউ) বাস্তবায়নও করা হবে।

এরপর তিনি জুলাই সনদ থেকে এলজিবিটিকিউ সংশ্লিষ্ট আরও দুটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। সেখানে ‘ইনক্লুসিভ’ এবং ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ শব্দমালা তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এসব শব্দের মারপ্যাচে এলজিবিটিকিউকে আইন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

ভিডিও বার্তায় এই অ্যাক্টিভিস্ট দাবি করেন, জুলাই সনদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি এর স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট ডা. জাহেদ উর রহমানের একটি টকশো আলোচনার খণ্ডিত অংশ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝানোর চেষ্টা করছে যে, জুলাই সনদে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া হলে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ রুদ্ধ করা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ বন্ধ হবে না। এমনকি আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তাহলে তারা এটি খুব সহজে বাতিলও করে দিতে পারবে।

এ ছাড়া জুলাই সনদের মাধ্যমে উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে, সেটিও অবাস্তব বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।