সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতে গিয়ে বাবার নাম পাল্টে সেখ সালাহউদ্দিন হলেন বিধান মল্লিক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন ওরফে সেখ জুয়েল বর্তমানে ভারতের নাগরিক পরিচয়ে চলাফেরা করছেন, যেখানে তার নতুন নাম বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তার বাবার নামও পরিবর্তন করে শেখ আবু নাছেরের পরিবর্তে মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক লেখা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে […]

ভারতে গিয়ে বাবার নাম পাল্টে সেখ সালাহউদ্দিন হলেন বিধান মল্লিক

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ মার্চ ২০২৫, ১১:২১

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন ওরফে সেখ জুয়েল বর্তমানে ভারতের নাগরিক পরিচয়ে চলাফেরা করছেন, যেখানে তার নতুন নাম বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তার বাবার নামও পরিবর্তন করে শেখ আবু নাছেরের পরিবর্তে মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক লেখা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সেখ জুয়েলের মতো শেখ পরিবারের আরও অনেক সদস্য ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং আধার কার্ডের মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় পরিবর্তন করেছেন। ভারতীয় আধার কার্ডের কপি বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে এসেছে, যেখানে স্পষ্টভাবে তার নতুন নাম এবং ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে খুলনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সেখ সালাহউদ্দিন, এবং ২০২৪ সালেও আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনা সরকার পতনের পর তিনি ও শেখ পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য ভারতে আশ্রয় নেন।

এর আগে, শেখ পরিবারের অনেক সদস্য সেনাবাহিনীর হেফাজতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, যেখানে ৬২৬ জনকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে তারা ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে বেরিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। বর্তমানে সেখ জুয়েলসহ তার বড় ভাই শেখ হেলাল, শেখ সোহেল ও ছোট ভাই শেখ রুবেল পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থান করছেন। জানা গেছে, সেখ জুয়েল তার ভারতীয় পরিচয় ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় অবাধে চলাফেরা করছেন এবং বিশেষ ট্রাভেল কার্ডের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাতায়াতও করছেন।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেখ জুয়েলের ভারতীয় আধার কার্ডে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে বিধান মল্লিক হিসেবে, যেখানে জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৫৯ এবং ঠিকানা শাড়াপুল, ডাকবাংলো, স্বরূপনগর, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ-৭৪৩২৮৬। তবে তার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নাম সেখ সালাহউদ্দিন, জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৬৭ এবং ঠিকানা সোনাডাঙ্গা, খুলনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্যের এমন কর্মকাণ্ড শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের কাছেও নৈতিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি দলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতার এভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নতুন পরিচয়ে বসবাস করা রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই ঘটনায় আওয়ামী লীগের ভেতরে প্রতিক্রিয়া তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন এবং এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেন ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা সংকটের জন্ম দিতে পারে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দিক থেকেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, সেখ জুয়েলের নাগরিকত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, ভারতের বিশেষ কিছু মহলের সহায়তায় এই নাগরিকত্ব পরিবর্তনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিও একই পথ অনুসরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলও নজর রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত পরিচয় পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিভিন্ন দিক রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০