রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

আরব সাগরে যুদ্ধজাহাজ নিয়ে হাজির রাশিয়া-ইরান, অংশ নিতে আসছে চীন

আরব সাগরে নতুন সামরিক শক্তির প্রদর্শনী হিসেবে যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে রাশিয়া ও ইরান। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে উভয় দেশের যুদ্ধজাহাজগুলোকে যৌথভাবে মহড়ায় অংশ নিতে দেখা গেছে। এটি সপ্তম যৌথ “মেরিটাইম সিকিউরিটি বেল্ট এক্সারসাইজ ২০২৫”, যেখানে চীনও অংশ নিচ্ছে। রোববার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এই মহড়ার অংশ হিসেবে রাশিয়ার করভেট “আলদার […]

আরব সাগরে যুদ্ধজাহাজ নিয়ে হাজির রাশিয়া-ইরান, অংশ নিতে আসছে চীন

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৫, ১০:৪৬

আরব সাগরে নতুন সামরিক শক্তির প্রদর্শনী হিসেবে যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে রাশিয়া ও ইরান। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে উভয় দেশের যুদ্ধজাহাজগুলোকে যৌথভাবে মহড়ায় অংশ নিতে দেখা গেছে। এটি সপ্তম যৌথ “মেরিটাইম সিকিউরিটি বেল্ট এক্সারসাইজ ২০২৫”, যেখানে চীনও অংশ নিচ্ছে। রোববার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এই মহড়ার অংশ হিসেবে রাশিয়ার করভেট “আলদার সাইদেনঝাপোভ” এবং ইরানের ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট “নেইজেহ পি-২৩৫”-কে ইরানের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি “কোনারাক”-এর দিকে যেতে দেখা গেছে। পরবর্তীতে রুশ নাবিকরা এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন, যেখানে রুশ ক্যাপ্টেন আলেকসেই আন্তসিফিরভ জানান, এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যে কোনো ধরনের হুমকি মোকাবিলায় যৌথ সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন, “সাগরে যদি কোনো হুমকি পাই, তাহলে ইরান ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে তা মোকাবিলা করবো। চীন, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং এই যৌথ সামরিক মহড়া এ অঞ্চলের নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।”

এই মহড়ায় চীনও তাদের শক্তিশালী নৌবাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। বেইজিং ঘোষণা দিয়েছে যে, চীনের টাইপ ওফাইভটুডি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘বাওতৌ’ এবং সাপ্লাই শিপ ‘গাওইউহো’ মহড়ায় অংশ নেবে। চীন এর আগেও এই ধরনের মহড়ায় অংশ নিয়েছে এবং এবারও ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে তাদের অংশগ্রহণ সামরিক কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই বহুজাতিক সামরিক মহড়ার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে এর পর্যবেক্ষক দেশগুলোর তালিকা। এবারের মহড়ায় পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছে আজারবাইজান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওমান, কাজাখস্থান, পাকিস্তান, কাতার, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের বহুপাক্ষিক সামরিক মহড়া মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

রাশিয়া, চীন ও ইরানের এই শক্তিশালী জোট সামুদ্রিক নিরাপত্তা রক্ষার নামে মূলত পশ্চিমা সামরিক প্রভাবের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলোর নৌবাহিনীর প্রভাব মোকাবিলায় এই মহড়া নতুন কৌশলগত সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ও রাশিয়া-ইরান-চীনের ভূমিকা

এই মহড়া এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইরানের ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হচ্ছে, চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নানা বাণিজ্যিক ও সামরিক পদক্ষেপ জোরদার হয়েছে এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যস্ত থাকলেও আন্তর্জাতিক শক্তির সমীকরণে তাদের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

বহুপাক্ষিক এই মহড়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ এটি এমন অঞ্চলে হচ্ছে যেখানে আমেরিকা ও তার মিত্রদের শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে এই যৌথ মহড়া নতুন ভূরাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সামরিক মহড়ার মাধ্যমে ইরান, রাশিয়া ও চীন তাদের শক্তিমত্তার প্রকাশ ঘটাচ্ছে এবং পশ্চিমা সামরিক শক্তির প্রভাব খর্ব করতে চাইছে। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আরও বড় সামরিক জোটের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মহড়া কেবলমাত্র প্রশিক্ষণের জন্যই নয় বরং এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা, যা পশ্চিমা শক্তিগুলোর জন্য সতর্কসংকেত হিসেবে কাজ করবে। এটি এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরানবিরোধী পদক্ষেপ বাড়াচ্ছে এবং রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হচ্ছে। একইসঙ্গে, চীন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত দ্বন্দ্বে লিপ্ত রয়েছে।

বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই মহড়া আন্তর্জাতিক শক্তির নতুন মেরুকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪
বিষয়ঃ

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪

আন্তর্জাতিক

“হাসিনার রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে, এটি কার্যকর হবে না” : শুভেন্দু

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।” হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ২১:২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক ও সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১৭ নভেম্বর) রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের তিনি দাবি করেন, “এই রায় পাকিস্তানের নির্দেশে দেওয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হবে না।”

হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জন্য পরিচিত শুভেন্দু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা প্রগতিশীল ছিলেন, তিনি উগ্রবাদীদের পাশে দাঁড়াননি।” তার এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—একজন মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত আসামিকে কেন ভারতীয় বিজেপি নেতা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

এদিকে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ ঘোষণার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নির্বাসনে থাকা হাসিনার রায় নজরে নিয়েছে ভারত।” তবে ভারত তাকে বাংলাদেশে ফেরত দেবে কি না—সে বিষয়ে কিছুই স্পষ্ট করেননি তিনি।

রণধীর বলেন, “ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সর্বোত্তম স্বার্থে আমরা সব অংশীদারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করব।” তার এই মন্তব্যকে পর্যবেক্ষকরা ‘কৌশলী নীরবতা’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

এর আগে সোমবার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে শেখ হাসিনাকে দুই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। এ সময় আদালত ভবনে নিহতদের কয়েকটি পরিবারের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের কাছ থেকে শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দ্রুত ফেরত চেয়ে বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে বলা হয়—মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দুই আসামিকে আশ্রয় দেওয়া “ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞা এবং বন্ধুসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী আচরণ।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৪