বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

আবরার হত্যার ফাঁসির আসামি জেল থেকে পালিয়েছে’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জেল থেকে পালিয়েছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে এ তথ্য জানান আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়েজ। আবরার ফায়েজ পোস্টে লেখেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জেমি জেলখানা থেকে পালিয়ে গেছে গত বছরের ৫ আগস্টের পরে। অথচ আমাদের […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২২:৪১

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জেল থেকে পালিয়েছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টে এ তথ্য জানান আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়েজ।

আবরার ফায়েজ পোস্টে লেখেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জেমি জেলখানা থেকে পালিয়ে গেছে গত বছরের ৫ আগস্টের পরে। অথচ আমাদের জানানো হচ্ছে আজকে, যখন ওর আইনজীবী কোনো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করতে আসেনি তখন।

তিনি লেখেন, ‘ফাঁসির আসামি তো কনডেম সেলে থাকার কথা ছিল, সে পালায় কীভাবে! পালানোর পরেও এ তথ্য বাইরে না আসাতো এটাই প্রমাণ করে, তাকে ধরতেও কোনো চেষ্টা করা হয়নি। পূর্বে থেকেই আরও তিনজন পলাতক আছে।

মুনতাসির আল জেমি, পিতা- আব্দুল মজিদ, মাতা- জোসনা বেগম, ঠিকানা : ৫/১ বাউন্ডারি রোড, নতুন বাজার, কোতোয়ালি, ময়মনসিংহ।’

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী পিটিয়ে হত্যা করেন।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর বুয়েটের ২০ শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এ মামলায় আরও পাঁচ শিক্ষার্থীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোশ্যাল মিডিয়া

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি। আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি […]

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৭

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি ‘না’ ভোট দেব? বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমি অনলাইনে সক্রিয় থাকতে পারি না। আপনারা যেহেতু প্রচুর সংখ্যক মানুষ মেসেজ দিয়েছেন, তাই আমি ভিডিও বার্তায় তার উত্তর দিচ্ছি। আমার উত্তর হচ্ছে, জুলাই সনদে আমি ‘না’ ভোট দেব।

কেন ‘না’ ভোট দেবেন, কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে’ যোগ দেবে। ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ জিনিসটা কী? জুলাইয়ে আমরা যে আন্দোলন করেছি তার সঙ্গে এর সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?

‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপের’ কার্যক্রম প্রসঙ্গে আসিফ মাহতাব উৎস বলেন, ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ হচ্ছে ‘এলজিবিটিকিউ রাইটস’-এর পক্ষে কাজ করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে এলজিবিটিকিউ রাইটস বাস্তবায়ন করা হবে। সুতরাং জুলাই সনদ পাস হলে তারা বলবে, এটা তো পাস হয়ে গেছে, আপনাকে এখন এলজিবিটিকিউ বাস্তবায়ন করতে হবে।

আসিফ মাহতাব বলেন, আমি তো ওপেন সোসাইটির জন্য সংগ্রাম করিনি, আপনিও করেননি। কিন্তু আপনাকে ভোট দেওয়ানো হবে এবং ভোট দেওয়ানোর পরে এগুলো (এলজিবিটিকিউ) বাস্তবায়নও করা হবে।

এরপর তিনি জুলাই সনদ থেকে এলজিবিটিকিউ সংশ্লিষ্ট আরও দুটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। সেখানে ‘ইনক্লুসিভ’ এবং ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ শব্দমালা তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এসব শব্দের মারপ্যাচে এলজিবিটিকিউকে আইন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

ভিডিও বার্তায় এই অ্যাক্টিভিস্ট দাবি করেন, জুলাই সনদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি এর স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট ডা. জাহেদ উর রহমানের একটি টকশো আলোচনার খণ্ডিত অংশ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝানোর চেষ্টা করছে যে, জুলাই সনদে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া হলে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ রুদ্ধ করা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ বন্ধ হবে না। এমনকি আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তাহলে তারা এটি খুব সহজে বাতিলও করে দিতে পারবে।

এ ছাড়া জুলাই সনদের মাধ্যমে উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে, সেটিও অবাস্তব বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

৭২ ঘণ্টায় খুনিকে গ্রেফতার না করলে সম্পূর্ণভাবে রেমিট্যান্স শাটডাউনের হুঁশিয়ারি

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে তীব্র শীত উপেক্ষা করে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

নিউজ ডেস্ক

২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৫৯

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে তীব্র শীত উপেক্ষা করে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

এর মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও মূল হত্যাকারী গ্রেপ্তারের দাবিতে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা এসেছে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে, অর্থাৎ সোমবারের মধ্যে মূল হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করা না হলে সম্পূর্ণভাবে রেমিট্যান্স শাটডাউন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসীদের একটি অংশ। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে ইতালি প্রবাসী সাইফুর রহমান এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে সাইফুর রহমান লেখেন, “শহীদ বীর শরিফ ওসমান বিন হাদি ভাইয়ের খুনিদের ধরা দূরে থাক, দেশে আছে কিনা সেটাই জানেনা ইন্টেরিম, অথচ বামপন্থী মিডিয়ার আস্তানায় হামলায়; সমানে বাছ-বিচার ছাড়া মানুষ ধরতেছে। এই নাটক অনেক দেখছি, আর না।”

তিনি আল্টিমেটাম দিয়ে আরও লেখেন, “আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে মূল হত্যাকারীরকে গ্রেফতার করতে না পারলে আমরা প্রবাসীরা সম্পূর্ণভাবে রেমিট্যান্স শাটডাউন করার ঘোষণা দিলাম। দিল্লির দালালি আর ৫৪ ধারায় ধর্মপ্রাণ মানুষদের ধরার জন্য, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কামানো অর্থ দেশে পাঠাই না। লাউড এন্ড ক্লিয়ার। ফুলস্টপ।”

এই ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাইফুর রহমানের পোস্টটি ইতোমধ্যে বহু প্রবাসী শেয়ার করে সংহতি জানিয়েছেন। তামিম রেজা নামে এক প্রবাসী তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে না পারলে সারা বিশ্বের সকল প্রবাসীদের রেমিটেন্স শাটডাউনের ঘোষণা দেওয়া হল।”

শাহবাগে চলমান অবস্থান কর্মসূচি এবং প্রবাসীদের এই আল্টিমেটাম ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হওয়ার আভাস মিলছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

“হাদী, ভাই আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবো ভাই, কিন্তু তোকে ফিরে আসতে হবে” : ইলিয়াস হোসেন

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে। ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন লেখেন, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক কায়েমের নাম […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৯

মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির প্রত্যাবর্তনের কামনায় আবেগঘন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, প্রয়োজনে জামায়াতের নেতাদের পায়েও ধরবেন, তবু হাদিকে ফিরে আসতেই হবে।

ফেসবুক পোস্টে ইলিয়াস হোসেন লেখেন, ঢাকা–৮ আসনে সাদিক কায়েমের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসার পর ওসমান হাদি তাকে স্বাগত জানিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্ট দেওয়ার পর হাদি কেন যেন ওই পোস্টের লিংক তাকে পাঠান। ইলিয়াসের ধারণা, এর মাধ্যমে হাদি বোঝাতে চেয়েছিলেন—সাদিক কায়েমের মতো শক্তিশালী প্রার্থীর বিপরীতে যেন জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়।

ইলিয়াস হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে কিছু না জিজ্ঞেস করেই তিনি হাদিকে রিপ্লাই দিয়েছিলেন যে, তিনি জামায়াতের সঙ্গে কথা বলবেন, যাতে হাদির আসনে জামায়াত কোনো প্রার্থী না দেয়। ওই বার্তার জবাবে হাদি একটি ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দেন। ইলিয়াস বলেন, ডিসেম্বরের ৬ তারিখে সেটিই ছিল তাদের শেষ যোগাযোগ।

পোস্টের শেষাংশে ইলিয়াস হোসেন আবেগপূর্ণ ভাষায় লেখেন, “হাদি, ভাই আমার—আমি দরকার হলে জামায়াতের নেতাদের পায়ে ধরবো ভাই, তবে তোকে কিন্তু ফিরে আসতে হবে। প্লিজ ভাই, তুই আবার আগের মতো ফোন করবি, টেক্সট করবি, আবদার করবি, প্রোগ্রামের সূচি পাঠাবি। আমি আমার পেইজে সেগুলো শেয়ার দেবো, ইনশাআল্লাহ।”

ইলিয়াস হোসেনের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করছেন এবং তার নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।